এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বাড়তে থাকা জ্বালানি দামের চাপ মোকাবেলা ও টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থায় রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে নতুন যৌথ উদ্যোগ ঘোষণা করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও জাপান।
‘অ্যাকশন ফর ক্রিয়েটিং এনার্জি সিকিউরিটি ফর লং-টার্ম রেজিলিয়েন্স’ (অ্যাকসেল) নামের এ উদ্যোগটি সোমবার (৪ মে) উজবেকিস্তানের সমরকন্দে এডিবি’র বার্ষিক সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।
এডিবি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
এডিবি’র প্রেসিডেন্ট মাসাতো কান্দা বলেন, জ্বালানি বাজারের চাপে দেশগুলোকে তাৎক্ষণিক সহায়তার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার ভিত্তি গড়তে হবে।
জাপানের সহযোগিতায় এ উদ্যোগ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বর্তমান সঙ্কটে টিকে থাকতে ও টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থায় রূপান্তরে সহায়তা করবে।
জাপানের অর্থমন্ত্রী সাতসুকি কাটায়ামা জানান, অ্যাকসেলের মাধ্যমে জাপানের প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে অঞ্চলজুড়ে প্রবৃদ্ধি জোরদার করা হবে। বিশেষ করে সঙ্ঘাত ও জ্বালানি সঙ্কটে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদেরকে (এসএমই) সহায়তা দেয়া হবে।
এডিবি জানায়, জ্বালানি দামের অস্থিরতা ও সরবরাহ সীমাবদ্ধতায় উন্নয়নশীল দেশগুলো ও তাদের বেসরকারি খাত চাপে রয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এসএমই খাত। এ খাতের পরিচালন ব্যয় বাড়ছে ও তারল্য সঙ্কট তীব্র হচ্ছে।
দুই ধাপে বাস্তবায়িত হবে অ্যাকসেল। স্বল্পমেয়াদে এসএমইসহ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের তারল্য সহায়তা জোরদার করা হবে আর মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে বৈচিত্র্যময় ও টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থায় রূপান্তরে বিনিয়োগ বাড়ানো হবে।
এ উদ্যোগের আওতায় এডিবি ঋণ, ক্রেডিট লাইন, গ্যারান্টি ও নীতিভিত্তিক অর্থায়নসহ বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে ব্যবসায় সহায়তা দেবে।
পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি দক্ষতা ও সাশ্রয়ী ব্যবস্থায় বিনিয়োগ বাড়ানো হবে।
এছাড়া জাপান এডিবি পরিচালিত ট্রাস্ট ফান্ডের মাধ্যমে প্রকল্প প্রস্তুতি ও বাস্তবায়নে সহায়তা দেবে এবং জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকা ও জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশনের (জেবিক) সাথে সমন্বয় জোরদার করবে।
অ্যাকসেলের বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিস্তারিত পরে জানানো হবে বলে জানিয়েছে এডিবি। বাসস



