ভোক্তা পর্যায়ে ফার্নেস অয়েলের দাম বেড়েছে। প্রতি লিটারে ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা বাড়িয়ে ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।
আজ রোববার রাত ১২টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন এবং তেল বিপণন কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে গণশুনানি, পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ শেষে ফার্নেস অয়েলের দাম সমন্বয় করা হয়েছে।
ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতে ব্যয় বাড়তে পারে। বিশেষ করে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন খরচ বেড়ে এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তা পর্যায়েও পড়তে পারে।
এর আগে, গত ২২ ফেব্রুয়ারি ফার্নেস অয়েলের ভোক্তাপর্যায়ের মূল্যহার, বিপিসির মজুতকরণ ও সরবরাহ চার্জ, তেল বিপণন কোম্পানিগুলোর চার্জ এবং সমন্বিত পরিবহন ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা হয়।
ওই আদেশে ফার্নেস অয়েলের ভোক্তাপর্যায়ের মূল্যহার প্রতি তিন মাস ভিত্তিতে বা প্রয়োজন অনুসারে সমন্বয়ের কথা বলা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় ফার্নেস অয়েলের মূল্যহার সমন্বয়ের জন্য ১৫ মার্চ একটি কমিটি গঠন করে কমিশন।
বিইআরসি বলেছে, মার্চ মাসে ক্রুড অয়েল আমদানি হয়নি। সেজন্য মার্চ মাসে পরিশোধিত ফার্নেস অয়েলের প্রকাশিত প্ল্যাটস রেটের গড় এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হারের পরিবর্তন বিবেচনায় নিয়ে এপ্রিল মাসের জন্য নতুন মূল্যহার সমন্বয়ের সুপারিশ করে ওই কমিটি।
পরে ৫ এপ্রিল ও ১২ এপ্রিল বিশেষ কমিশন সভায় ১ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত প্রকাশিত ফার্নেস অয়েলের প্ল্যাটস রেটের গড় এবং ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মাসে আমদানিকৃত ক্রুড অয়েলের জাহাজে পণ্য তুলে দেওয়ার পর্যায় (এফওবি) মূল্যের ভিত্তিতে ফার্নেস অয়েলের দাম প্রতি লিটার ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।
আগে প্রতি লিটার ফার্নেস অয়েলের দাম ছিল ৭০ টাকা ১০ পয়সা। সে হিসাবে নতুন সমন্বয়ে দাম বেড়েছে ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা।



