যশোরের চৌগাছায় প্রতিপক্ষের হামলায় জুয়েল রানা (৪০) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নিহতের স্ত্রী মায়া খাতুন।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নের মুক্তদাহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জুয়েল রানা মুক্তদাহ গ্রামের ওদুদ খন্দকারের ছেলে।
থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, জুয়েল রানা আওয়ামী লীগের কর্মী ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক মতবিরোধ নিয়ে জুয়েল রানার সাথে একই গ্রামের নজরুল ইসলাম মেম্বার, ইউসুফ আলী, কাশেম আলী ও বাবু রহমানদের দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। ঘটনার দিন দুপুরে জুয়েল রানা চৌগাছা-কোটচাঁদপুর সড়কের মুক্তদাহ মোড় নামক স্থানে একটি চায়ের দোকানে বসে রাজনৈতিক আলাপ করছিলেন।
এ সময় রানা তার প্রতিপক্ষদের ব্যাপারে বাজে মন্তব্য করতে থাকেন। এতে প্রতিপক্ষের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে তার ওপর হামলা চালায়। হামলায় জুয়েল রানার দুই পা হাঁটুর নিচ থেকে ভেঙে মারাত্মক আহত হন তিনি। ঘটনার সময় প্রতিপক্ষের হাত থেকে স্বামীকে উদ্ধার করতে গিয়ে তার স্ত্রী মায়া খাতুনও আহত হন।
স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে চৌগাছা সরকারি মডেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে স্ত্রী মায়া খাতুন প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন। তবে সেখানে জুয়েল রানার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে যশোর রেফার্ড করেন ডাক্তাররা। যশোর সদর হাসপাতালে নেয়ার পর সেখানকার জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎস জুয়েল রানাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। জিজ্ঞাসাবাদরে জন্য দু’জনকে আনা হয়েছে। আসামিদের আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যহত রয়েছে।



