ভোট গণনা ও ফলাফল প্রকাশে কোনো অনিয়ম জনগণ বরদাশত করবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে খেলাফত মজলিস।
বৃহস্পতিবার ( ১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে খেলাফত মজলিসের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফরিদ ও সদস্য সচিব অধ্যাপক মো. আবদুল জলিল প্রদত্ত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, সারাদেশের বিভিন্ন আসনে ‘দেওয়াল ঘড়ি’ প্রতীকের প্রার্থীর এজেন্ট ও সমর্থকদের ওপর হয়রানি এবং বিরোধী প্রার্থীর পক্ষে জালভোট দেয়ার ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সামগ্রিকভাবে ভোটগ্রহণ সন্তোষজনক হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।
বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, বিভিন্ন স্থানে ‘দেওয়াল ঘড়ি’ প্রতীকের বিরুদ্ধে অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়—
নারায়ণগঞ্জ-৫ (বন্দর) আসনে দেওয়াল ঘড়ির এক সমর্থককে মারধর করা হয়েছে। গত রাতে প্রধান নির্বাচনী এজেন্টকে হেনস্তা করা হয়। সঙ্গে থাকা এক কর্মীর দাড়ি উপড়ে ফেলার অভিযোগও করা হয়েছে। আজ মদনগঞ্জে এক সমর্থকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
সিলেট-২ আসনে বিশ্বনাথ উপজেলার রাজারবাজার কেন্দ্রে দরজা বন্ধ করে সিল মারার অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন কেন্দ্রে জালভোট দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করা হয়।
হবিগঞ্জ-২ আসনে বানিয়াচংয়ের মন্দরী ইউনিয়ন কেন্দ্রে গত রাতে হামলা চালিয়ে দেওয়াল ঘড়ির এজেন্টকে রক্তাক্ত করা হয়েছে। রাতে সেনাবাহিনী দুইজনকে আটক করেছে। আজ কিছু সময়ের জন্য ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকার খবর পাওয়া গেছে। বানিয়াচংয়ের ৬ নম্বর কাগাপাশা ইউনিয়নের বাগতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সাতজন জাল ভোটার আটক হওয়ার কথাও জানানো হয়।
হবিগঞ্জ-৪ আসনে একাধিক কেন্দ্রে অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়। কয়েকটি কেন্দ্র থেকে দেওয়াল ঘড়ির এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। এক নারীকে হেনস্তার ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভোট গণনা ও ফলাফল প্রকাশে কোনো অনিয়ম হলে তা জনগণ মেনে নেবে না বলে হুঁশিয়ারি দেয়া হয়। ভোট গণনা ও ফল প্রকাশের সময় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।



