সংঘবদ্ধ অ্যাকটিভিজমে অপকর্ম ঢাকার চেষ্টা চলছে : সাদিক কায়েম

সাদিক কায়েম তার পোস্টে উল্লেখ করেন, আবিদুল ইসলাম খানের অভিযোগের ভিত্তিতে বিএনপি ও ছাত্রদলের বিভিন্ন অপকর্ম, দেশের সঙ্কট এবং ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রণের অপতৎপরতা আড়াল করতে ‘সংঘবদ্ধ অ্যাকটিভিজম’ চালানো হচ্ছে।

ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম ও ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম
ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম ও ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম |সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম খানের আনা অভিযোগকে ‘সংঘবদ্ধ অ্যাকটিভিজম’ বলে অভিহিত করেছেন। তার দাবি, ছাত্রদলের বিভিন্ন অপকর্ম ও দেশের চলমান সঙ্কট আড়াল করতেই এই ধরনের কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে সাদিক কায়েমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও পোস্ট দেন তিনি।

এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার (২৫ এপ্রিল) মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া এক পোস্টে সাদিক কায়েম এসব কথা বলেন।

সাদিক কায়েম তার পোস্টে উল্লেখ করেন, আবিদুল ইসলাম খানের অভিযোগের ভিত্তিতে বিএনপি ও ছাত্রদলের বিভিন্ন অপকর্ম, দেশের সঙ্কট এবং ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রণের অপতৎপরতা আড়াল করতে ‘সংঘবদ্ধ অ্যাকটিভিজম’ চালানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, অভিযোগে উল্লেখিত ‘ডিইউ ইনসাইডার্স’ নামের পেজটি নিয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তবে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, ওই পেজ থেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কোনো অপপ্রচার চালানো হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট অ্যাডমিন দাবি করেছেন। একই নামে আরেকটি ভুয়া পেজ খুলে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এছাড়া নিজের সঙ্গে পেজ অ্যাডমিনের কথোপকথনের স্ক্রিনশট ফাঁসের বিষয়েও ব্যাখ্যা দেন সাদিক কায়েম। তিনি বলেন, এটি ছিল ব্যক্তিগত ও সৌজন্যমূলক যোগাযোগ, যা ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

পোস্টে তিনি আরো অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ছাত্রদল সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ফেসবুক পেজ থেকে ভুয়া তথ্য, বিকৃত ছবি ও অপপ্রচার চালানো হয়েছে। এসবের মাধ্যমে ডাকসু প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধেও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হয় বলে দাবি করেন তিনি।

সাদিক কায়েম বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা, সন্ত্রাস, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতা—এসব গুরুতর ঘটনার পরও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে অনুশোচনার অভাব রয়েছে।