ভারতে যে দলই রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসুক না কেনো বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক একই থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর জিয়া উদ্যানে কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে সাথে নিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হিসেবে শপথ নেন। এই উপলক্ষে এ কর্মসূচি করে ঢাকা জেলা ও দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। এ সময় ঢাকা জেলা, উপজেলা ও পৌর বিএনপি অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের মধ্যে বিএনপির খোরশেদ আলম, মোজাদ্দেদ আলী বাবু, আশিকুর রহমান স্বপন স্বেচ্ছাসেবক দলের নাজমুল হাসান অভি, আসাদুজ্জামান, যুবদলের মোকাররম হোসেন সাজ্জাদ, ছাত্রদলের পাভেল মোল্লা, তমিজ উদ্দিন, তাঁতী দলের হিরা হোসেন প্রমুখ।
অপেক্ষমান সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ভারতে কোন দল ক্ষমতায় এলো তা দেখার বিষয় নয়, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করি, তাই যেই ক্ষমতায় আসুক না কেনো সম্পর্ক একই থাকবে। ভারতের জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নেতা নির্বাচন করেছেন, নির্বাচিতদের আমি অভিনন্দন জানাই।
ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো মন্তব্য না করে নিজ দেশের জনস্বার্থকেই গুরুত্ব দেয়ার কথা বলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। নানা সঙ্কটের মধ্যে বর্তমান সরকার দেশের দায়িত্ব নিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে দেশে সুদিন ফিরিয়ে আনা হবে।
স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, সরকারকে জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে। নারী নেতৃত্বকে আরো গুরুত্ব দিতে হবে। এখন আর একদলীয় শাসন ব্যবস্থা নেই, যা ইচ্ছা তা করা যাবে না। বিরোধী দলের সমালোচনার অবস্থান থেকেও দেশ পরিচালনায় গুরুত্ব পাবে বলে মনে করেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নিপুণ রায় চৌধুরী বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনে আমাকে মূল্যায়ন করায় দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। একইসাথে যারা দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে আমার পাশে ছিলেন বিশেষ করে ঢাকা জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কাছেও কৃতজ্ঞ।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমার ওপর যে আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছেন আমি তার প্রতিদান দিতে চাই। তাই আগামী দিনে আমার রাজনীতি হবে গণমানুষের কল্যাণ করা। আমাদের দেশের পররাষ্ট্রনীতি হবে দেশের মানুষের স্বার্থের কথা বিবেচনায় নিয়ে। দেশের মানুষের স্বার্থের বাইরে কোনো কাজ এই সরকার করবে না, এই বিশ্বাস আছে দলের নেতাকর্মী ও দেশের জনগণের।



