আইনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনে একমত দলগুলো

তবে ক্ষমা প্রর্দশনের জন‍্য অ্যাটর্নি জেনারেলকে প্রধান করে ছয় সদস্য বিশিষ্ট যে বোর্ডের প্রস্তাব করা হয়েছিল, সে বিষয়ে সবাই একমত হতে পারেনি।

অনলাইন প্রতিবেদক
ঐকমত্য কমিশনের সংলাপ
ঐকমত্য কমিশনের সংলাপ |নয়া দিগন্ত

ক্ষমা আইনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনে একমত রাজনৈতিক দলগুলো।

আজ বৃহস্পতিবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাথে সংলাপে অংশ নিয়ে প্রস্তাবটির পক্ষে একমত পোষণ করে দলগুলে।

আজকের আলোচনায় রাষ্ট্রপতি ক্ষমা প্রদর্শন বিষয়ে যে আইনের প্রস্তাব করেছে কমিশন, তাতে বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল একমত হয়েছে। তবে ক্ষমা প্রর্দশনের জন‍্য অ্যাটর্নি জেনারেলকে প্রধান করে ছয় সদস্য বিশিষ্ট যে বোর্ডের প্রস্তাব করা হয়েছিল, সে বিষয়ে সবাই একমত হতে পারেনি। প্রস্তাব এসেছে দলগুলোর কাছ থেকে পরের নির্বাচিত সংসদ এই আইনের কাঠামো ও বোর্ড সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিবে।

বিষয়টি নিয়ে প্রথমে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, পরে কথা বলেন জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেনসহ কয়েকজন নেতা।

পরে আলোচনা শুরু হয় বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ নিয়ে। যেখানে জামায়াত ও এনসিপিসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল, রাজধানীর বাইরে সকল বিভাগীয় পর্যায়ে হাইকোর্টের স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের জন্য কমিশনের প্রস্তাবে একমত হয়। জামায়াতের পক্ষ থেকে শুরুতে পুরানো চারটি বিভাগীয় শহরে হাইকোর্ট বেঞ্চ স্থাপনের কথা বলা হয়। এনসিপি আট বিভাগে করার পক্ষে। তবে বিভাগীয় শহরের পরিবর্তে যোগাযোগের জন্য সহজতর এলাকায় করার পক্ষে।

তবে বিএনপি বলেছে, স্থায়ী বেঞ্চ না করে বছরে একবার বা দু’বার অস্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের জন‍্য। বিষয়টি নিয়ে এখনো দলগুলো ঐকমত্যে আসেনি।