নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী হওয়ার পর কিভাবে এবং কার কাছে শপথ নেয়া হবে, তা নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে বিএনপি।
পার্লামেন্টের অনুপস্থিতিতে কিভাবে বা কার কাছে শপথ পাঠ করা হবে, তার আইনি দিকগুলো খতিয়ে দেখছেন দলটির নেতারা।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে দেখা করেছেন বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ নেতা।
এরপর দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, এখন কিভাবে বা কার কাছে শপথ নেয়া হবে, সেগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘যদি গেজেট হয়ে যায়, স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের সুযোগ না থাকায়, তখন তিন দিনের মধ্যে সিইসির শপথ পড়ানোর সুযোগ নেয়া যায়। সেই হিসাবে ১৭ তারিখের মধ্যে শপথ হতে পারে।’
প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, যেদিন সকালে সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন, সেদিন বিকেলেই রাষ্ট্রপতির কাছে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন।
বর্তমান আইন অনুযায়ী, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার শপথ পড়াবেন। সেটা না হলে রাষ্ট্রপতি মনোনীত ব্যক্তির কাছে শপথ নেয়া যাবে। কিন্তু স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার অসমর্থ হলে তিন দিন পরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়াবেন।
বর্তমানে কে কিভাবে শপথ পড়াবেন, তার আইনি ব্যাখ্যা নিচ্ছে বিএনপি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়ালে আইনের দিকগুলো যাচাই করে দেখছে দলটি।



