মিরপুর-১০-ফার্মগেটে বোমা আতঙ্ক, বিস্ফোরক নয় : ডিএমপি

আজ সকালে মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে বোমা সদৃশ দুইটি পরিত্যক্ত বস্তু পাওয়া যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে জনমনে সাময়িক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে।

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) |সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পাওয়া বোমা সদৃশ দুটি পরিত্যক্ত বস্তুতে কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট আতঙ্কে উদ্বিগ্ন না হওয়ার আহবান জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

এর আগে, সকালে মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে বোমা সদৃশ দুইটি পরিত্যক্ত বস্তু পাওয়া যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে জনমনে সাময়িক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে।

প্রথম ঘটনায় মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনে সন্দেহজনক একটি ব্যাগের খবর পেয়ে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সেটি এক্স-রে পরীক্ষার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করে। ব্যাগের ভেতরে কৌটাসদৃশ একটি বস্তু শনাক্ত হওয়ার পর স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুসরণ করে ফ্র্যাঞ্জিবল ডিসরাপ্টর ব্যবহার করে নিরাপদে সেটি নিষ্ক্রিয় করা হয়। পরে পরীক্ষা করে দেখা যায়, ব্যাগটির ভেতরে ছিল জর্দার একটি কৌটা ও পান। সেখানে কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা ক্ষতিকর বস্তু পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, তেজগাঁও থানাধীন ফার্মগেট এলাকায় একটি পরিত্যক্ত বস্তাকে কেন্দ্র করে বোমা সন্দেহের সৃষ্টি হলে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে হ্যান্ড এন্ট্রির মাধ্যমে সেটি পরীক্ষা করে। পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া যায়, বস্তার ভেতরে কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা বিপজ্জনক বস্তু নেই।

ডিএমপি জানিয়েছে, নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বদা সতর্ক রয়েছে।