বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে সিইসি

নির্বাচনে তিন হাজার ড্রোন মোতায়েন হবে

‘আমরা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে কিছু পরামর্শ ও কিছু অভিযোগ দিয়েছি। সব দল যেন সমান অধিকার ভোগ করতে পারে। ভোটকেন্দ্রগুলো যেন সুরক্ষিত থাকে। কেন্দ্র দখল বা কারচুপি যেন না হয়। আমরা বলেছি কিছু কিছু এলাকার ইউএনও পক্ষপাত করছে। আর বিএনপির প্রার্থী আমাদের প্রার্থীকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।’

বিশেষ সংবাদদাতা
সিইসি এ এম এম নাসিরউদ্দিনের সাথে বৈঠক শেষে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা ইউসুফ আশরাফ
সিইসি এ এম এম নাসিরউদ্দিনের সাথে বৈঠক শেষে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা ইউসুফ আশরাফ |নয়া দিগন্ত

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন আমাদেরকে বলেছেন ভোটে তিন হাজার ড্রোন মোতায়েন হবে। এছাড়া সিসিটিভি, বডি ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হবে–তবে এটি অপ্রতুল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা ইউসুফ আশরাফ।

তিনি বলেন, ‘আমরা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে কিছু পরামর্শ ও কিছু অভিযোগ দিয়েছি। সব দল যেন সমান অধিকার ভোগ করতে পারে। ভোটকেন্দ্রগুলো যেন সুরক্ষিত থাকে। কেন্দ্র দখল বা কারচুপি যেন না হয়। আমরা বলেছি কিছু কিছু এলাকার ইউএনও পক্ষপাত করছে। আর বিএনপির প্রার্থী আমাদের প্রার্থীকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।’

বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসিরউদ্দিনের সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদেরকে তিনি এসব কথা বলেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, মাওলানা ফয়সাল আহমেদ, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মাওলানা হাসান জুয়ায়ের।

মাওলানা ইউসুফ আশরাফ অভিযোগ করে বলেন, কোনো কোনো দলের প্রধান যা যা বলে বেড়াচ্ছেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। একজন বলেছেন ফ্ল্যাট দেয়া হবে। এটা আচরণবিধির লঙ্ঘন। এ থেকে বোঝা যায় নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই।

সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে দরে তিনি বলেন, সংসদীয় আসন নেত্রকোনা-১ কমলাকান্দা উপজেলার ইউএনও মোটামুটি নিরপেক্ষেভাবে কাজ পরিচালনা করছিলেন। একটি দলের প্রার্থী তাকে প্রত্যাহার করতে তদবির করেন। গত দু’ দিন আগে তাকে বদলি করা হয়েছে। আমরা সেই কর্মকর্তাকে পুনরায় বহাল করতে বলেছি।

তিনি বলেন, নেত্রকোনার দূর্গাপুর উপজেলার ইউএনও কোনো অভিযোগ তদন্ত করেন না। আচরনবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ দিলে তা আমলে নেন না। তিনি একপক্ষের হয়ে কাজ করছেন।

তিনি বলেন, ফরিদপুর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থীর লোকজন আমাদের প্রার্থীকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। গাড়ি জ্বালানোর হুমকি দিয়েছে।