প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘ভারতে নির্বাচন হচ্ছে, সেটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। সেখানকার জনগণ যেকোনো দলকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনতে পারেন, তাতে আমাদের কিছু বলার নেই। কিন্তু আমাদের কথা হচ্ছে, কেন বারবার বাংলাদেশীদের গুলি করে হত্যা করা হবে? সীমান্তে এই রক্তপাত আর কতদিন চলবে?’
তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অত্যন্ত চমৎকার ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান বলে অনেকে দাবি করেন। ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে এত আলোচনার পরেও গতকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে দু’জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এগুলো কিসের আলামত? বাংলাদেশ বা ভারতের সাধারণ মানুষ- কেউই এমনটা চায় না। দুই প্রতিবেশী দেশ শান্তিপূর্ণভাবে থাকতে চায়। আমাদের দেশের মানুষ যাকে ইচ্ছা ভোট দেবে, নিজেরা নিজেদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে; ভারতও তাদের নিজেদের ভাগ্য নিজেরা পরিচালনা করবে। তারা সুখে-শান্তিতে থাকুক, আমরাও সুখে-শান্তিতে থাকি- একটি সৎ প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক বজায় থাকুক। কিন্তু বারবার সীমান্তকে এভাবে রক্তাক্ত করলে কখনোই ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না। তাই দিল্লির কাছে আমাদের দাবি, এই রক্তপাত বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশের সাথে যদি স্থায়ী বন্ধুত্ব গড়ে তুলতে চান, তবে এই সহিংসতার মনোবৃত্তি পরিহার করতে হবে।’
আজ রোববার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের ৪৫তম কাউন্সিল উদ্বোধন শেষে বক্তব্যে এসব কথা বলেন অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। নির্বাচিত সরকার সবসময় জনগণের চাওয়া পাওয়াকে প্রাধান্য দেয়।
এ সময় সরকারের বাস্তবায়িত হওয়া সকল প্রতিশ্রুতি জনগণের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানান রিজভী।



