দেশকে কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করতে সকলকে জামায়াতের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম।
তিনি বলেন, ‘দেশে ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠায় আল্লাহর বিধান ও রাসূল সা:-এর আদর্শ প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। এ কাজ করা ফেরেস্তাদের দায়িত্ব নয় বরং আল্লাহ তা’য়ালার খলিফা হিসেবে তা আমাদের ওপরই অত্যাবশ্যকীয় করা হয়েছে। এ কাজে আঞ্জাম দিতে সিপাহসালারের দায়িত্ব পালন করছেন গণমানুষের নয়নমণি ও অবিসংবাদিত জননেতা জামায়াত আমির ডা: শফিকুর রহমান। তিনি তার মেধা, যোগ্যতা, প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা, কর্মতৎপরতা ও দৃঢ়তা দিয়ে দেশ ও জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে অবিরাম প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বিপদে মানুষের বন্ধু হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সকলের কাছেই তিনি জনপ্রিয় ব্যক্তি। দেশ ও জাতির চলমান ক্রান্তিকালে যখন তার গতিশীল নেতৃত্ব প্রয়োজন তখনই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।’
শনিবার (২ আগস্ট) সকালে রাজধানীর একটি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের শেরেবাংলা নগর থানা আয়োজিত জামায়াত আমির ডা: শফিকুর রহমানের বাইবাস সার্জারির সফলতা ও আশু আরোগ্য কামনায় এক দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় বিপ্লব পরবর্তী ক্ষুধা, দারিদ্র, অশাসন, দুঃশাসন ও বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্লদ্রষ্টা এবং দেশ-জাতির দুঃসময়ের কাণ্ডারি জামায়াত আমির ডা: শফিকুর রহমানের বাইপাস সার্জারির সফলতা ও আশু আরোগ্য কামনায় নগরবাসীসহ দেশের সকল স্তরের জনগণের প্রতি আন্তরিক দোয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিসে শূরা সদস্য ও শেরে-বাংলা নগর থানা উত্তরের আমির মু. আব্দুল আউয়াল আজমের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মঞ্জুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন থানা নায়েবে আমির শাহ আজিজুর রহমান তরুণ, থানা এইচআরডি সম্পাদক হুমায়ুন কবির, থানা কর্মপরিষদের সদস্য ও ২৮ উত্তর ওয়ার্ডের সভাপতি হাফেজ মু. শাহজাহান, ওলামা বিভাগের সভাপতি এস এম সাইফুল ইসলাম, ২৮ পশ্চিম ওয়ার্ডের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মু. ইফতেখার খান সুজন ও ৬০ ফিট উত্তর ওয়ার্ডের সভাপতি আসাদুজ্জামান টিপু প্রমুখ।
ড. রেজাউল করিম বলেন, ‘ডা: শফিকুর রহমান দেশ ও জাতির প্রতি দায়বদ্ধতা এবং জনসেবার জন্য সাধারণ মানুষের মনে মনিকোঠায় স্থান করে নিয়েছেন। তার তেজোদীপ্ততা ও দৃঢ়তা তাকে অনন্য ও বিরল ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে। তিনি ১৯ জুলাই জাতীয় সমাবেশে সভাপতির ভাষণ দেয়ার সময় অসুস্থ হয়ে পড়ে যান এবং তৎক্ষনাৎ উঠে জীবন-মৃত্যুর মালিক আল্লাহ বলে ঘোষণা দিয়ে মানুষের ঈমানকে উদ্দীপ্ত করে দেশ ও জাতির কাণ্ডারির দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৬ সালে পল্টন ট্র্যাজেডির দিনেও শহীদ জামায়াত আমির মতিউর রহমান নিজামীও এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। তাই দেশকে সুখী, সমৃদ্ধ, ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত করতে দেশে সফল ইসলামী বিপ্লবের কোনো বিকল্প নেই। তিনি দেশকে কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করতে সকলকে জামায়াতের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।’ বিজ্ঞপ্তি



