গোপালগঞ্জে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা ইসমাইল ইলাহী, গোপালগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ফোরকান খান এবং গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সাইফুল্লাহ বিন হাবিবের ওপর হামলা ও তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি হামলার সাথে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতার, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আহত ছাত্রনেতাদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
অ্যাডভোকেট জুবায়ের বলেন, গোপালগঞ্জে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতাসহ তিন ছাত্রনেতার ওপর সংঘটিত হামলার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়, উদ্বেগজনক এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য অশনিসংকেত। একজন কেন্দ্রীয় নেতাসহ তিনজন ছাত্রনেতাকে হামলা করে আহত করা এবং তাদের মোটরসাইকেলে আগুন দেয়ার ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না।
তিনি বলেন, দেশের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাস, রাজনৈতিক সহিংসতা, দখলদারিত্ব ও ভয়ভীতির রাজনীতির অবসান প্রত্যাশা করছে। অথচ কোনো রাজনৈতিক মত বা আদর্শের কারণে কারো ওপর হামলা চালানো হলে তা গণতান্ত্রিক ও সভ্য সমাজের মৌলিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। মতপার্থক্য থাকবে, রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা থাকবে; কিন্তু প্রতিপক্ষের ওপর হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের কোনো সুযোগ নেই।
হামলার ঘটনা তদন্তের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, হামলার সময় হামলাকারীরা কোনো রাজনৈতিক স্লোগান দিয়ে থাকলে কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হামলা ও অগ্নিসংযোগের কোনো ভিডিও প্রকাশিত হয়ে থাকলে সেসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় আনতে হবে। তবে তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগেই কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনকে দায়ী না করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা জরুরি।
বিবৃতিতে তিনি আহত ছাত্রনেতাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং দেশের সর্বস্তরের রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তির প্রতি শান্তি, সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান।
তিনি আবারো হামলার সাথে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতার, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আহত ছাত্রনেতাদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানান।



