বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, বহু ত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ ভোটাধিকার অর্জন করেছে। এই অধিকার প্রয়োগে সবাইকে ভোটকেন্দ্রে যেতে হবে এবং নিজের পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দিতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেট অডিটোরিয়ামে এক নির্বাচনী সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এরপর তিনি কাটাবন, এলিফ্যান্ট রোড এবং পিজি হাসপাতালের আশপাশে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়ে গণসংযোগ করেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘ডাক্তার হোক, নার্স হোক, রাজনীতিবিদ হোক, কুলি-মজুর যেই হোক ভোট দেয়ার অধিকার ও দায়িত্ব সবার রয়েছে। দয়া করে ভোট দিতে যাবেন, এই অধিকারটা প্রয়োগ করবেন।
তিনি বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে আমি লক্ষ্য করছি এবারো নির্বাচনকে প্রভাবিত করার একটি পরিকল্পনা হতে পারে।
তার ভাষায়, আগে ভোট শেষে পোলিং অ্যাজেন্টরা সন্ধ্যার মধ্যেই ফলাফল নিয়ে ফিরত, আর এখন বলা হচ্ছে ফল পেতে দুই-তিন দিন লাগবে। এটিকে তিনি কারচুপির সম্ভাব্য লক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, এটা আমরা কোনো পরিস্থিতিতেই মেনে নেব না।
তিনি আরো বলেন, একদল লোক আছে যারা দেশের বাইরে থাকে, কিন্তু নিজেদের দেশপ্রেমিক বলে দাবি করে। আসলে দেশে ও বিদেশে থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা কথা বলেন, দেশের জন্য যদি এতই প্রেম থাকে, তাহলে দেশে আসেন না কেন? দেশে এসে নির্বাচন করেন, জনগণের সাথে কাজ করেন। অথচ তারা বিদেশে বসে বিএনপিকে কিভাবে ক্ষতি করা যায়, কিভাবে বদনাম ও অপবাদ দেয়া যায় সেই চেষ্টা চালাচ্ছে।
নির্বাচনী প্রচারের বিষয়ে তিনি বলেন, ভোট চাইতে হলে নিজের কাজ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা বলতে হবে, অন্যের বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়ে নয়।
মির্জা আব্বাস বলেন, তিনি ঢাকায় দু’টি হাসপাতাল, মুগদা মেডিক্যাল হাসপাতাল ও একটি ডায়াবেটিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছেন। পাশাপাশি তার নির্বাচনী এলাকায় চাকরির ব্যবস্থা, খেলার মাঠ, কলেজসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। লিফলেটে এসব কাজের বিবরণ দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ভোটাধিকার আদায়ের জন্য তিনি যে সংগ্রাম করেছেন, সেটাই তার সবচেয়ে বড় সার্থকতা। মানুষ তাকে ভোট দিক বা না দিক, ভোট দিতে পারাটাই তার শান্তি। তিনি অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রমাণ চ্যালেঞ্জ করে বলেন, তার বিরুদ্ধে কেউ একটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগও প্রমাণ করতে পারবে না।
সূত্র : বাসস



