ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ

সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল

‘২টা ২০ মিনিটে গুলির শব্দ শোনা যায়। এর কয়েক সেকেন্ড পর মোটরসাইকেলে দুই যুবককে দ্রুত পালিয়ে যেতে দেখা যায়। এরপর আশপাশের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ
ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ |সংগৃহীত

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। একটি মোটরসাইকেলে দু’জন এসে তাকে গুলি করেন। এরপর মোটরসাইকেলটি দ্রুত চলে যায়। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে এ চিত্র দেখা গেছে।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নেয়া হয়েছে।

এদিকে, ঘটনাস্থলের কাছাকাছি একটি ভবনের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ২টা ২০ মিনিটে গুলির শব্দ শোনা যায়। এর কয়েক সেকেন্ড পর মোটরসাইকেলে দুই যুবককে দ্রুত পালিয়ে যেতে দেখা যায়। এরপর আশপাশের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

এর আগে, আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় গুলি করা হয় ওসমান হাদিকে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে পৌনে ৩টার দিকে ঢামেক হাসপাতালে নেয়া হয়। তার বাম কানের পাশে এক রাউন্ড গুলি লেগেছে।

জুলাই ঐক্যের অন্যতম সংগঠক ইস্রাফিল ফরায়েজী জানান, নির্বাচনী প্রচারণাকালে তাকে গুলি করা হয়।

ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ জানিয়েছিলেন,‌ ‘আমরা শুনেছি বিজয়নগর এলাকায় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আমাদের টিম পাঠিয়েছি।’

এদিকে, ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক তার গুলিবিদ্ধের ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ওসমান হাদি এখন সেখানে চিকিৎসাধীন।’

গত নভেম্বর মাসে দেশী-বিদেশী ৩০টি নম্বর থেকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি পেয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন হাদি। ১৪ নভেম্বর ফেসবুকে একটি পোস্টে তিনি জানিয়েছিলেন, তাকে হত্যা, তার বাড়িতে আগুনসহ তার মা, বোন ও স্ত্রীকে ধর্ষণের হুমকি দেয়া হয়েছে।

ওসমান হাদি লিখেছিলেন, ‘গত তিন ঘণ্টায় আমার নম্বরে আওয়ামী লীগের খুনিরা অন্তত ৩০টা বিদেশী নম্বর থেকে কল ও টেক্সট করেছে। যার সামারি হলো- আমাকে সর্বক্ষণ নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। তারা আমার বাড়িতে আগুন দেবে। আমার মা, বোন ও স্ত্রীকে ধর্ষণ করবে এবং আমাকে হত্যা করবে।’

ওসমান হাদি (৩৩) ঝালকাঠির নলছিটি এলাকার শরিফ আব্দুল্লার ছেলে। হাদির পরিবার সেখানেই থাকে।