খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রকাশিত জুলাই সনদের খসড়ার পটভূমিতে ১৯৪৭ সালে পূর্ববঙ্গের স্বাধীনতার ইতিহাসকে স্মরণ করা হয়নি। ইংরেজদের পৌনে দু শ’ বছর শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে মুসলিম জাতীয়তার ভিত্তিতে আমাদের নিকট অতীতের এই স্বাধীনতা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিল। আমরা দাবি করছি, চূড়ান্ত জুলাই সনদের পটভূমির শুরুতে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ উল্লেখ এবং ১৯৪৭ ও ১৯৭১ সালকে যথাযথ মর্যাদায় স্মরণ করতে হবে। এই সনদে বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি যথাযথ সম্মান থাকতে হবে। গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তির পূর্বেই এই সনদ ঘোষণা ও তার শক্তিশালী আইনী ভিত্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, পরাজিত ফ্যাসিস্ট অপশক্তি এখনো বিভিন্ন জায়গায় নাশকতার যে অপচেষ্টা চালাচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে তা কঠোর হাতে দমন করতে হবে। গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জনগণ ৫ আগস্ট নির্বিঘ্নে কর্মসূচি পালন করবে। এই মুহূর্তে গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের সকল শক্তির ঐক্যবদ্ধতা আরো কাম্য। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের যে অভিযোগ এসেছে, তা অবশ্যই যথাযথ তদন্ত করতে হবে। অভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে জনগণ এসব আর সহ্য করবে না।
বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন দলটির নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী। সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত নির্বাহী বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির মাওলানা সাইয়্যেদ ফেরদাউস বিন ইসহাক, যুগ্ম-মহাসচিব মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, অধ্যাপক মো: আবদুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান, অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, প্রচার ও তথ্য সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাওলানা শায়খুল ইসলাম, যুব বিষয়ক সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম তুহিন, খন্দকার শাহাবুদ্দিন আহমদ, মুফতি আবদুল হক আমিনী, মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকার, মাওলানা নুরুল হক, আবুল হোসেন, মাওলানা আজিজুল হক, অ্যাডভোকেট মাওলানা রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।



