জামায়াত ভালো মানুষ তৈরি, সুনাগরিক সৃষ্টি ও ব্যক্তির চারিত্রিক সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের যথাযথা প্রক্রিয়ায় তালিম দিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে নিয়োজিত করে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির ও নাগরিক উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
তিনি শনিবার (২ মে) রাজধানীতে কাফরুল পশ্চিম থানা জামায়াত আয়োজিত বিনামূল্যের সুপেয় পানির পাম্প উদ্ভোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
থানা সেক্রেটারি আতিক হাসান রায়হানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মূসা এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারি সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন থানা কর্মপরিষদ সদস্য মতিউর রহমান, ছায়েফুল্লাহ, সিরাজুল ইসলাম, সেনপাড়া কাজীপাড়া বাড়ি মালিক সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য কে এম খালিদ হাসান, গিয়াস উদ্দিন, জাহাঙ্গীর আলম, সেনপাড়া মধ্য ওয়ার্ড সভাপতি মনিরুল ইসলাম ভুইয়া ও উত্তর ওয়ার্ড সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মান্নান প্রমূখ।
সেলিম উদ্দিন বলেন, জামায়াত একটি গণমুখী ও কল্যাণকামী রাজনৈতিক সংগঠন। জামায়াতের নেতাকর্মীরা কোনো প্রকার দখলবাজী, চাঁদাবাজী, দুর্নীতি, অনিয়ম, অন্যায় বা কোন গর্হিত কাজের সাথে জড়িত নয় বরং মানুষের কল্যাণে নিজেদেরকে নিবেদিত ও নিয়োজিত রেখেছেন। অপরাপরাপর রাজনৈতিক শক্তিগুলো যখন দুনিয়া প্রেম ও আত্মকেন্দ্রীকতায় নিজেদেরকে নিয়োজিত রেখেছেন; যখন তারা কাউকে কিছু দিতে চান না, তখন আমাদের নেতা আব্দুল মতিন খান নিজ উদ্যোগে স্থানীয় জনগণের জন্য বিশুদ্ধ ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে পাম্প স্থাপন করে সবার জন্য উম্মুক্ত করে দিয়েছেন। তিনি অতীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা ও সৌদি আরবে বৃহত্তর কোম্পানিতে চাকরি করেছেন। অথচ তিনি একজন সাদা মনের নিরহংকার মানুষ। তিনি এলাকার কমিশনার নির্বাচিত হলে নিষ্ঠা, সততা ও যোগ্যতার সাথে জনগণের খেদমত করবেন। তিনি আসন্ন ডিএনসিসি নির্বাচনে কমিশনার পদে আব্দুল মতিন খানকে বিজয়ী করতে ময়দানে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, সরকারি দলকে বিশেষ গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে হয় এবং নিজেদেরও নিতে হয়। তাই তাদের পক্ষে যথাযথভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হয় না। এমতাবস্থায় আগামী দিনের সিটি প্রশাসনের দায়িত্ব বিরোধী দলের হাতে তুলে দিলে অল্প সময়ের মধ্যে ডিএনসিসিকে একটি সর্বাধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন আদর্শ নগরীতে পরিণত করা সম্ভব হবে। নগরীর পরিবেশ নির্মল ও নাগরিক বান্ধব রাখতে নেয়া হবে ব্যাপকভিত্তিক সবুজায়নের পদক্ষেপ। প্রয়োজনীয় খেলার মাঠ, সুস্থ্যধারার বিনোদনের জন্য পার্ক ও রাস্তা প্রশস্ত রেখে বাড়িঘর ও ইমারত নির্মাণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। জামায়াত নগরবাসীকে এমন এক ডিএনসিসি উপহার দিতে চায় যা হবে শিক্ষাবান্ধব, যানজট ও ঘিঞ্জিমুক্ত আদর্শ নগরী; সেখানে নাগরিকের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হবে। তিনি সে স্বপ্নের নগরী প্রতিষ্ঠায় আগামী নির্বাচনের জামায়াত প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান।



