স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জনগণকে সাথে নিয়েই কাজ করতে হবে। কারণ, জনগণই হচ্ছে এই দেশের মালিক।’
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৬ এর পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সাথে জেলা প্রশাসকদের আলোচনা পর্বের পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আগেও বলেছি, এখনো বলছি- আমরা চেষ্টা করব আগামী এক বছরের মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ের সব নির্বাচন সম্পন্ন করার।’
তিনি বলেন, ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলনে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সাথে জেলা প্রশাসন ও মন্ত্রণালয়ের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জেলা প্রশাসকরা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন, আমরা সেই পরামর্শগুলো গ্রহণ করেছি।’
তিনি আরো বলেন, আমরা মূল যে কথাটা বলতে চেয়েছি- স্থানীয় সরকার হচ্ছে আমাদের গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় ভিত্তি। এটা হচ্ছে বেসিক তৃণমূলের সবচেয়ে বড় শক্তিশালী ইনস্টিটিউশন। এই ইনস্টিটিউশন সবসময় শক্তিশালী করতে পারলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের আরেকটা কথা বলার চেষ্টা করেছি যে জেলা প্রশাসকদের নেতৃত্ব দিতে হবে। আমাদের সরকারের বিশেষ করে আমাদের প্রধানমন্ত্রী যে কর্মসূচিগুলো নিয়েছেন, সেই কর্মসূচিগুলোকে বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে আমাদের যারা দায়িত্বে রয়েছেন, তারা সেই কাজগুলো বাস্তবায়ন করবেন।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘গত দুই বছর আমরা দেখেছি যে স্থানীয় পর্যায়ে যেসব রাস্তাঘাট আছে, অবকাঠামো আছে- সেসবের সংস্কারের প্রতি নজর দেয়া হয়নি।’
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার কিন্তু শুধু রাস্তাঘাট সংস্কারের কাজ করে না। স্থানীয় সরকারকে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করতে হয়, প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করতে হয়। এসব কাজ সামগ্রিকভাবে স্থানীয় সরকারকেই করতে হয়।’
মির্জা ফখরুল আরো বলেন, ‘সামগ্রিকভাবে যেটা দেখেছি- গত ১৬ বছরে স্থানীয় সরকারের কমিউনিকেশনের জায়গাটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক হচ্ছে যে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। আমরা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সেসব দুর্নীতির তদন্ত করব। একইসাথে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্নীতি যাতে না ঘটে, সেটাও আমরা দেখব। এই সম্মেলনে যারা উপস্থিত ছিলেন, আমরা মনে করি- এই ধরনের সম্মেলন প্রত্যেক বছর অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সরকারের জেলা পর্যায়ের যারা কর্মকর্তা, তাদের সাথে আমাদের মন্ত্রণালয়ের মতবিনিময় যেটা হয়, সেটা অত্যন্ত ভালোভাবে কাজে দেয়। ভবিষ্যতে সেটা যেন আরো বাড়ানো যায়, সেটাও আমরা বলছি।’
সূত্র : বাসস



