ঢাকা-১৮ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আশরাফুল হক বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে জাতি নতুন বাংলাদেশ পেলেও জুলাই শহীদদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি, এমনকি বন্ধ হয়নি আহতদের আর্তনাদ-আহাজারি।
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) জুমার পর ঢাকা-১৮ আসন আয়োজিত উত্তরা এলাকায় এক গণমিছিল-পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
উত্তরা আজমপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ-সংলগ্ন ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে গণমিছিলটি শুরু হয়ে জসীম উদ্দিনসহ উত্তরার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা প্রদক্ষিণ করে ১১ নম্বর সেক্টর জমজম টাওয়ারের সামনে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
গণমিছিল-পূর্ব সমাবেশে আশরাফুল হক বলেন, ‘দেশবাসী একটি শান্তিপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য ও সুন্দর নির্বাচন দেখতে চায়। গত কয়েক মাস ধরে নানা সংস্কারের উদ্যোগ চলছে। জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা আট দল দেশপ্রেমিক জনতাকে সাথে নিয়ে একটি সুন্দর দেশ, সুন্দর সরকার ও সুন্দর পদ্ধতি উপহার দিতে চায়। অথচ একটি মহল দেশের চলমান সংস্কার প্রক্রিয়া চায় না এবং নানাভাবে তালবাহানা করে একটি অগ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে দেশকে আবারো পিছিয়ে দিতে চায়। কিন্তু দেশপ্রেমিক জনতা সেটা কোনোভাবেই মেনে নেবে না বরং ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দেবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘এ দেশের মানুষ শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নত ভবিষ্যৎ চায়। জামায়াতে ইসলামী দেশের জনগণকে নিয়ে একটি সুন্দর দেশ গড়তে বদ্ধপরিকর। আমরা এমন এক শান্তির সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চাই যে সমাজে মানুষে মানুষে কোনো বৈষম্য থাকবে না।’
বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় সকলকে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।
কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও উত্তরা পশ্চিম অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাহবুবুর রহমানের পরিচালনায় গণমিছিলে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য মুহিবুল্লাহ, উত্তরা পশ্চিম থানার আমির মাজহারুল ইসলাম, উত্তরা পূর্ব থানার আমির মাহফুজুর রহমান, দক্ষিণ খান উত্তরা থানার আমির আবু সাঈদ, তুরাগ মধ্য থানার আমির গাজী মনির হোসাইন, তুরাগ দক্ষিণ থানার আমির আবু বকর সিদ্দিক, খিলক্ষেত পশ্চিম থানার আমির হাসনাইন আহমেদ, কামরুল হাসান প্রমুখ।



