তিন দিনের মধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের দলীয় ব্যানার-পোস্টার সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে দলের চেয়ারপারসন সদ্য মরহুম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানিয়ে ব্যানার-পোস্টার ছাড়া বাকি সকল ধরনের ব্যানার পোস্টার সরিয়ে নিচ্ছে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা।
আজ শুক্রবার সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ এবং যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বৈঠক হয়। এতে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। পরে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিভিন্ন ব্যানার-পোস্টার সরানোর কার্যক্রম উদ্বোধন করেন রুহুল কবির রিজভী।
এসময় মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, সদস্য সচিব মোস্তফা জামান, দক্ষিণের সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবীন, যুবদলের সভাপতি মোনায়েম মুন্না, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জুয়েল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী, সহসভাপতি ডা. জাহেদুল কবির জাহিদ, ছাত্রদলের রাজু আহমেদ ও ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘ব্যানার পোস্টার রাজনৈতিক মতপ্রকাশের মাধ্যম হলেও এসব লাগানোর কারণে শহরের সৌন্দর্য ও নান্দনিকতা নষ্ট ও বিঘ্নিত হচ্ছে। এসব লাগাতে গিয়ে কারও অধিকার যাতে বিঘ্নিত না হয় সেজন্য আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এবং যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল সবাই স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ব্যানার পোস্টার সরানোর কাজ শুরু করেছি। ম্যাডামের মৃত্যুতে শোকের ব্যানার পোস্টার হয়তো আর কয়েকদিন থাকবে।’
রিজভী বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে বৈঠক করে দায়িত্ব ভাগ করে নিয়েছি। কোনো কর্মসূচি শেষ হলে নিজে থেকেই তার ব্যানার পোস্টার সরানোর কাজ হওয়া উচিত। আমরা সেই লক্ষ্যেই ঢাকা মহানগরীতে আজকে শুরু করলাম। সারাদেশে এটি চলবে। আমরা আশা করছি তিন দিনের মধ্যে সারাদেশ থেকে ব্যানার পোস্টার সরিয়ে ফেলব।’



