তিল ধারণের ঠাঁই নেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে, লোকসমাগম ছড়িয়ে পড়েছে আশপাশের এলাকায়

দলটি দাবি করেছে, ১০ লাখের বেশি মানুষের উপস্থিতি নিশ্চিত করবে তারা।

অনলাইন প্রতিবেদক

Location :

Dhaka
রমনায় উপস্থিত জামায়াত নেতৃবৃন্দের একাংশ
রমনায় উপস্থিত জামায়াত নেতৃবৃন্দের একাংশ |নয়া দিগন্ত

ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের সমাগমে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। উদ্যান আশপাশে ছড়িয়ে পড়েছে সমাবেশে আসা মানুষের সমাগম। যদিও সমাবেশ শুরু হবে দুপুর ২টায়।

আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকে মিছিলের স্রোত ঢুকছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অভিমুখে। বেলা বাড়ার সাথে ভরে যায় সমাবেশ স্থল। এরপর তিল ধারণের ঠাঁই নেই। লোকজন ছড়িয়ে পড়েছে শাহবাগ, কাঁটাবন, টিএসসি, দোয়েল চত্বর, পলাশী মোড়, হাইকোর্ট মোড়, মৎসভবন, কাকরাইল এলাকা জুড়ে। রমনা পার্ক প্রায় ভরে উঠেছে মানুষের আনাগোনায়। এখন সাইমুম শিল্পী গোষ্ঠীর সঙ্গীত পরিবেশন করছে।

এদিকে গতকাল শুক্রবার রাতেই সমাবেশকে কেন্দ্র নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে। দলটি দাবি করেছে, ১০ লাখের বেশি মানুষের উপস্থিতি নিশ্চিত করবে তারা।

‘লিল্লাহি তাকবির আল্লাহু আকবার’ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ ‘স্লোগান মুখরিত হয়ে উঠছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও এর আশপাশ এলাকা।

জামায়াত জানায়, এই সমাবেশে তারা সাতটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দাবি তুলে ধরবে। দাবিগুলো হলো:- ২০২৪ সালের ৫ আগস্টসহ পূর্ববর্তী গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করা, রাষ্ট্রের সর্বস্তরে মৌলিক সংস্কার আনা, ঐতিহাসিক জুলাই সনদ ও ঘোষণাপত্র বাস্তবায়ন জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পুনর্বাসন, পিআর (Proportional Representation) পদ্ধতিতে নির্বাচন, প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা, রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য সমান সুযোগ ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা।

উল্লেখ্য, উদ্যানের বাহিরে অবস্থানরতদের জন্য সমাবেশ সরাসরি দেখার জন্য বিভিন্ন মোড়ে এলইডি মনিটর বসানো হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম এনডিএফ। শৃংখলা বজায় রাখতে স্বেচ্ছাসেবকরা কাজ করে যাচ্ছেন।