‎সমাজে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা হলে নারী অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে : ইরানী আক্তার

আমাদের উত্তম জাতি হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে মানুষের কল্যাণের বিধান প্রতিষ্ঠার জন্য। মানুষের কল্যাণ দুইভাবে করতে হবে- একটি হলো এই পৃথিবীতে নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করা, আরেকটি হলো পরকালীন কল্যাণ নিশ্চিত করা।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
মিছিলটি মিরপুর-১০ থেকে শুরু হয়ে কাজীপাড়ায় শেষ হয়েছে
মিছিলটি মিরপুর-১০ থেকে শুরু হয়ে কাজীপাড়ায় শেষ হয়েছে |নয়া দিগন্ত

‎‎বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ইরানী আক্তার বলেছেন, ‘আমাদের উত্তম জাতি হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে মানুষের কল্যাণের বিধান প্রতিষ্ঠার জন্য। মানুষের কল্যাণ দুইভাবে করতে হবে- একটি হলো এই পৃথিবীতে নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করা, আরেকটি হলো পরকালীন কল্যাণ নিশ্চিত করা।’

আজ শনিবার সকালে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নিজ নির্বাচনী এলাকা মিরপুর–১৫ আসনের নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে রাজধানীতে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে দলটির নারী বিভাগ। মিছিলটি মিরপুর-১০ থেকে শুরু হয়ে কাজীপাড়ায় শেষ হয়েছে।

সমাবেশে ইরানী আক্তার বলেন, পৃথিবীর জীবনে মানুষের কল্যাণ সম্ভব ন্যায় ও ইনসাফপূর্ণ সুন্দর সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘ঢাকা-১৫ আসনে আমাদের প্রার্থী ডা. শফিকুর রহমান সাহেব প্রার্থী হয়েছেন। তিনি সমাজ ও দেশের অকল্যাণকর কাজগুলো দূর করে একটি মানবিক, ন্যায় ও ইনসাফপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা করবেন।’

‎ইরানী আক্তার বলেন, নারীদের অধিকার, নারীদের নিরাপত্তা এবং নারী সমাজের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা হতে পারে কেবল ন্যায় ও ইনসাফপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে।

তিনি নারী সমাজ এবং সব পেশা-শ্রেণির মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘ডা: শফিকুর রহমানকে ভোট দিয়ে একটি সুন্দর মানবিক ন্যায়-ইনসাফের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করুন, যাতে দুনিয়াও সুন্দর হয় এবং জান্নাতি পরিবেশ তৈরি হয়।’

‎এসময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসেন বলেন, “বাংলাদেশে প্রায় ৪৯ শতাংশ নারী ভোটার। আমাদের আমিরে জামায়াত সবসময় বলতেন- আমরা নারীদের ঘরে আটকে রাখব না। নারীরা তাদের স্ব স্ব কর্মস্থলে কাজ করবে। আমরা একটি নারী বান্ধব সমাজ গড়ে তুলব।”

‎তিনি বলেন, ‘ঢাকা-১৫ আসনে আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান নিজেই প্রার্থী। এখানের নারীরা ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে, দাঁড়িপাল্লার পক্ষে। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও দাঁড়িপাল্লাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবে। আগামী ১২ তারিখে নির্বাচনে আমরা তাকে বিজয়ের মালা পরাতে চাই। সেই লক্ষ্যেই আজ নারীদের এই গণমিছিলের আয়োজন করা হয়েছে।’

গণমিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসেন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ইরানী আক্তার, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য সালমা সুলতানা, ঢাকা মহানগরী উত্তর সহকারী সেক্রেটারি আমেনা বেগম এবং ঢাকা মহানগরী উত্তর কর্মপরিষদ সদস্য আকলিমা ফেরদৌসী।