জামায়াত

আগামী নির্বাচনের অন্যতম প্রধান অ্যাজেন্ডা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গঠন

জাতীয় স্বার্থে সংবিধান সংশোধনের দরকার হলে সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

অনলাইন প্রতিবেদক
নয়া দিগন্ত

আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অন্যতম প্রধান অ্যাজেন্ডা হবে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গঠন এমন তথ্য জানিয়ে দলটির নায়েবে আমির ডা: সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেছেন, ‘আমরা চাই, দুদক সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হোক, যাতে কোনো রাজনৈতিক দল নিজেদের স্বার্থে আইন পরিবর্তন করতে না পারে। জাতীয় স্বার্থে সংবিধান সংশোধনের দরকার হলে সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।’

সোমবার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাথে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দুদক শক্তিশালী হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের কার্পণ্য আমরা রাখতে চাই না। আমরা খুবই দৃঢ় এবং প্রায় চার তৃতীয়াংশ পার্টিও আজকে এটা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার ব্যাপারে একমত। যারা সংবিধানের অন্তর্ভুক্ত করতে চায়নি, তাদের একটা আর্গুমেন্ট হচ্ছে, সংবিধানে যদি এটা (দুদক) অন্তর্ভুক্ত হয়, তাহলে যদি প্রয়োজনে কোনো পরিবর্তন দরকার হয় পরিবর্তনটা সহজ হবে না। আমরা বলেছি, এ কারণেই তো আমরা সংবিধানের ভেতরে চাই। যে যুক্তিতে আপনারা আইন করে এটা করতে চান, সেই এক যুক্তিতে আমরা এটা সংবিধানে পাঠাতে চাই। কারণ শুধু আইন করলে মেজরিটি সরকার সকাল-বিকেল আইন পরিবর্তন করতে পারে।

তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ করেছে। আমরা চাই না, কোনো একটি দলের প্রয়োজনে এখানে দুদকের আইন পরিবর্তন হোক। যদি জাতির প্রয়োজনে হয় তাহলে তো সরকারি দল, বিরোধী দল সকলেই একমত হয়ে যাবে। তখন সংশোধন করতে আরো কোনো অসুবিধা হবে না। সেজন্য পরিবর্তনের সুযোগটি আমরা তখনই রাখতে চাই, যেটা দেশের স্বার্থে হবে জাতীয় স্বার্থ হবে। দলের স্বার্থের জন্যে দুদকের আইন পরিবর্তনে আমরা বিরোধী।

আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠন বিষয়ে তিনটি প্রস্তাব তুলে ধরে জামায়াতের এই নেতা বলেন, প্রথম দুটি প্রস্তাব কার্যকরী না হলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে নতুন প্রস্তাব করেছি। দুই প্রস্তাবে সর্বসম্মত না হলে তৃতীয় প্রস্তাব হিসেবে র‍্যাংকড চয়েস রেখেছি। তবে শর্ত হচ্ছে, প্রকাশ্যে ভোট প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। যেখানে সদস্যরা ওপেন ভোটে নিজের পছন্দ জানাবেন। এতে হর্স ট্রেডিং রোধের সম্ভাবনা বাড়বে।