ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা ৮ আসনের প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর গুলি-হামলার ঘটনা তুলে ধরে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আশঙ্কা করছি, এরকম আরো ঘটনা ঘটতে পারে।’
তিনি আরো বলেছেন, ‘বাংলাদেশ যখন একটা নতুন অধ্যায়ের দিকে, একটা নতুন সূর্য দেখছে, বাংলাদেশের মানুষ স্বপ্ন দেখছে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণ করবে। ঠিক সেই সময় আবার নতুন করে বাংলাদেশের শত্রুরা হত্যাকাণ্ডে মেতে উঠেছে।’
আজ রোববার সকালে রাজধানীর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডকে পরিকল্পিত বলে উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল বলেন, ‘১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের দোসরদের যোগসাজশে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, গবেষক, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিকসহ অনেককেই তুলে নিয়ে হত্যা করে। বাংলাদেশকে সম্পূর্ণভাবে মেধাহীন করে দেয়ার জন্য এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল। এই দিনে বারবার সেই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের কথা জাতি মনে করবে, স্বাধীনতার চেতনাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের নেতা, আমাদের প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই বাংলাদেশের যে আমূল পরিবর্তন নিয়ে এসেছিলেন, তার প্রতি আমরা গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।’
এ সময় তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ বলেও উল্লেখ করেন।
মির্জা ফখরুল জানান, বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আজ তারা শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে এসেছেন, তারা শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তারা শপথ গ্রহণ করেছেন, যেকোনো মূল্যে দেশের স্বাধীনতাকে রক্ষা করবেন, সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করবেন। গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।



