জুলাই বিপ্লবের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী উত্তর মহিলা বিভাগ আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) বিকেল রাজধানীর মিরপুর-১১ তে ৪ নম্বর ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে এর আয়োজন করা হয়।
জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি সুফিয়া জামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জুলাই শহীদদের পরিবারের সদস্য, আহত জুলাইযোদ্ধা ও জুলাইয়ে সেবাদানকারী চিকিৎসকসহ মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তর মহিলা বিভাগের কর্মপরিষদ সদস্য আঁখি ফেরদৌসি ও ফারহানা মিতুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভার উদ্বোধনী বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি সুফিয়া জামাল বলেন, ‘জুলাইয়ে যারা রাস্তায় নেমে এসেছিলেন তাদের একটাই পরিচয়- তারা দেশপ্রেমিক। তাই আসুন, বিভেদ ভুলে দেশ গড়তে আমরা একতাবদ্ধ হই।’
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট চিকিৎসক শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল ডা: হুমায়ারা বিনতে আসাদ।
তিনি বলেন, যিনি ক্ষমতায় আছেন তিনি যদি ন্যায় বিচারক না হন তবে তার ক্ষতিকর প্রভাব সমাজের ব্যাপক আকার ধারণ করে। যার উদাহরণ আমরা ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে দেখেছি। এ জন্য যারা দেশ পরিচালনা করবেন, তাদের সৎ ও ন্যায় বিচরক হওয়া জরুরি।
জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নুরুন্নিসা সিদ্দিকা তার বক্তব্যে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জুলাই বিপ্লবকে সফল করার আহ্বান জানান। একইসাথে তিনি বলেন, একটি দুর্নীতিতে নিমজ্জিত রাষ্ট্রের করুণদশা আমরা সম্প্রতি মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় দেখতে পাই।
সভায় জুলাই স্মৃতিচারণ করেন শহীদ মাসুদ রানার স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস সাফা, আহত জুলাইযোদ্ধা খাদিজা খাতুন, গুমের শিকার ব্যারিস্টার আরমানের সহধর্মনী তাহমিনা ইয়াসমিন, জুলাইযোদ্ধা মনোয়ারা বেগম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী মুহসিনা তাইয়েবা।
শহীদ পরিবারের সদস্যরা জুলাইয়ের এক বছর পূর্তিতে দেশকে পুনঃনির্মাণের ক্ষেত্রে সকল রাজনৈতিক দলকে জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগেরর কথা স্মরণ রাখবে বলে প্রত্যাশা করেন।
অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগের নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদিকা অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, কোঅর্ডিনেটর ডিপার্টমেন্ট অফ জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্ট্যাডিজের রেহানা সুলতানা, বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. জয়নাব সিদ্দিক।
পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি



