নতুন সরকারকে জনগণের সমস্যাকে অগ্রাধিকার দিয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আব্দুল্লাহপুর ফ্লাইওভারের বন্ধ রাস্তার সংস্কার কাজ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে মহানগরী আমিরের সাথে উপস্থিত ছিলেন উত্তরা মডেল থানা আমির ইব্রাহিম খলিল, ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মাহফুজুর রহমান, নায়েবে আমির হারুন অর রশীদ তারেক, তুরাগ মধ্য থানা নায়েবে আমির কামরুল হাসান ও উত্তরা পূর্ব থানা সেক্রেটারি আতিক হাসান রুবেল প্রমুখ।
উল্লেখ্য, রাস্তার মধ্যে একটি গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় এবং সংস্কারের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে চলাচল বন্ধ ছিলো। এতে ব্যাপক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়ার প্রেক্ষাপটে ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের উদ্যোগে রাস্তাটি সংস্কার করে ব্যবহার উপযোগী করা হয়।
সেলিম উদ্দিন বলেন, আমাদের দেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো জনদুর্ভোগের প্রতি নজর দেয় না। এসব প্রতিষ্ঠানের উদাসীনতা ও অনিয়মের কারণে অতি তুচ্ছ কারণে জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। আব্দুল্লাহপুর ফ্লাইওভার সংলগ্ন ছোট একটি গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় ফ্লাইওভারে চলাচল বন্ধ থাকলেও প্রয়োজনীয় তদারকির অভাবে চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আমরা বিষয়টি অবহিত হয়ে মহানগরীর উদ্যোগেই সংস্কার কাজটি সম্পন্ন করেছি। আশা করি দু’একটি দিনেই মধ্যে চলাচলে সকল প্রতিবন্ধকতা দূর হবে। তিনি শুধুমাত্র রাজনীতির বৃত্তে আবদ্ধ না থেকে জনগণের কল্যাণে কাজ করতে সংশ্লিষ্ট সকালের প্রতি আহবান জানান।
তিনি বলেন, জামায়াত একটি গণমুখী, কল্যাণকামী ও আদর্শিক রাজনীতিক দল। গত ১০ বছর আমরা নগরবাসীর কল্যাণে নানাবিধ কার্যক্রম গ্রহণ করেছি। সে ধারাবাহিকতায় আমরা যাকাত তহবিল থেকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য এককলীন অনুদান দিয়েছি। ক্ষুদ্র ব্যবসায়িদের আত্মনির্ভরশীল করার জন্য জন্য ১০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত কর্জে হাসানাসহ প্রয়োজনবোধে অনুদান প্রদান করা হয়েছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা প্রদানের সার্বক্ষণিক ১০ জন চিকিৎস এবং তাদের সহকারি নিয়োজিত রেখেছি। যারা ফোন পাওয়া মাত্র চিকিৎসা প্রার্থীর চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করে থাকেন। এমনকি আমরা মানুষের সেবার জন্য সার্বক্ষণিক ১০টি এমব্যুলেন্স নিয়োজিত রেখেছি। মানুষ এসব সেবাকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছে। যার প্রতিফলন ঘটেছে সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। ঢাকা মহানগর উত্তরে আমরা ৪ টি আসন পেয়েছি। শরীক দল একটি পেয়েছে। দু’টিতে না জিতলেও ফলাফল নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্নের সৃষ্ট হয়েছে। ঢাকা-১৮ আসনে একজন তরুণ প্রার্থী ব্যাপক ভোট পেয়েছেন। তিনি ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠায় সকলকে ময়দানে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।



