বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের যিনি রাষ্ট্রপতি ছিলেন, এদেশের গণমানুষের যিনি প্রেসিডেন্ট ছিলেন- শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, তিনি কিন্তু একটি সত্য উপলব্ধি করেছেন। তিনি এ বিষয়টি বুঝতে পেরেছিলেন এবং তার কর্মের মাধ্যমে সেটাকে তিনি প্রকাশ করেছিলেন। সেটা হচ্ছে এই যে একটি জাতির পরিচয় কেবলমাত্র রাজনীতি দিয়ে হয় না; একটি জাতির পরিচয় শুধুমাত্র অর্থনীতির গ্রোথ রেট বা প্রবৃদ্ধি দিয়ে হয় না। একটি জাতির পরিচয় সত্যিকারভাবে বিশ্বের বুকে তুলে ধরতে হলে যেটা প্রয়োজন, তার নাম হচ্ছে সংস্কৃতি।
আজ শনিবার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে বিএফডিসি’র সামনে ‘জাতীয়তাবাদী চলচ্চিত্র পরিষদের’ আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
মঈন খান বলেন, দেশের কৃষ্টি এবং সংস্কৃতিকে অনেক গুরুত্ব দিতেন জিয়াউর রহমান! বিশ্বাস করতেন যে বিশ্বের বুকে একটি দেশকে পরিচিতি দিতে হলে সেখানে কিন্তু একটি জাতির যে সংস্কৃতি ও কৃষ্টি, সেটাকে তুলে ধরতে হবে। এবং সেই বিশ্বাস থেকে কিন্তু তিনি সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র, আমাদের যে লোকসংগীত, আমাদের দেশের নৃত্যকলা- প্রতিটি বিষয়টিকে (এগিয়ে নিয়েছেন)। চলচ্চিত্র আসলে শুধু সিনেমা হলে দেখার বিষয় নয়। আপনারা জানেন যে সারাবিশ্বে কিন্তু প্রায় শত বছর ধরে চলচ্চিত্রের মূল্যায়ন হয়, চলচ্চিত্রের উপরে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ হয় এবং বিশ্বের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রগুলোকে পুরস্কৃত করা হয়। কেন করা হয়? এই কারণে, যে কথা আমি বলেছি- চলচ্চিত্র শুধু সেলুলয়েডের পর্দার ঘটনা নয়, চলচ্চিত্র হচ্ছে পৃথিবীর মানুষের জীবনের প্রতিচ্ছবি।



