জুলাই জাতীয় সনদ ও সংবিধান সংস্কার নিয়ে সরকার উপেক্ষার নীতি অবলম্বন করছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা: শফিকুর রহমান।
রোববার জাতীয় সংসদের অধিবেশন শেষে সংসদের বাইরে এক সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আমরা ৭০ ভাগ মানুষের ভোটকে উপেক্ষা বা অগ্রাহ্য করতে পারি না। নির্বাচনের আগে আমরা জনগণের কাছে কথা দিয়েছি, জনগণের কাছে আহ্বান জানিয়েছি, জনগণে আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়েছে।
তিনি বলেন, গত ১৫ মার্চ আমরা পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিষয়টি উত্থাপন করলে স্পিকার লিখিত আকারে নোটিশ দিতে বলেছিলেন। আজকে নোটিশ দিয়েছি এবং পড়ে শুনিয়েছি। দফায় দফায় বাধা এসেছে। সকল বাধা উপেক্ষা করে স্পিকার রুলিং দিয়ে আগামী ৩১ মার্চ দুই ঘণ্টা আলোচনার জন্য সময় নির্ধারণ করেছেন। আলোচনায় কী হয় সেটা পরে দেখা যাবে।
তিনি বলেন, আমার সকলেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলাম, যে আদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে সেই একই আদেশে গণভোট হয়েছে। এখন একটি জায়েজ আর আরেকটি হারাম তা হতে পারে না। যদি নাজায়েজ হয় তাহলে দুটিই হবে।
তিনি বলেন, এই সংসদ স্বাভাবিকভাবে গঠিত হয়নি। একটি বিশেষ প্রেক্ষাপটে, অনেক ত্যাগ ও কুরবানির বিনিময়ে এই সংসদ গঠিত হয়েছে। আমরা এখন অপেক্ষায় আছি। ৩১ তারিখে আলোচনা হবে, আমরা আলোচনায় অংশগ্রহণ করবো। আমরা আশা করবো জুলাই চেতনাকে, জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে ৭০ ভাগ মানুষের ভোটকে সরকারি দলও গ্রহণ করে নেবে এবং এর মধ্য দিয়ে এই সঙ্কটের অবসান হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এসব বিষয়ে ব্যাখা দেবেন আইনমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী। আমরা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য আশা করেছিলাম। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদের প্রথম দিন থেকেই সব বিষয়ে কথা বলছেন। আবার দুঃখজনক হলো স্পিকার রুলিং দেয়ার পরও তিনি কথা বলতে চান। এটা অনাকাঙ্ক্ষিত। তার মতো অভিজ্ঞ সংসদ সদস্যের কাছে এ ধরনের আচারণ আশা করি না।


