মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান বীর সেনানী ও সাবেক মন্ত্রী এ কে খন্দকার বীর উত্তমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখপ্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য এ কে খন্দকার জাতির কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।’
৯৫ বছর বয়সী এ কে খন্দকার বার্ধক্যজনিত কারণে শনিবার সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) এ কে খন্দকারের মৃত্যুতে গণমাধ্যমে পাঠানো শোকবার্তায় বিএনপি মহাসচিব বলেন, এ কে খন্দকারের মৃত্যুতে তার শোকাহত পরিবার-পরিজনদের মতো আমিও গভীরভাবে সমব্যাথী।
মির্জা ফখরুল বলেন, মুক্তিবাহিনীর উপ-প্রধান (ডেপুটি চীফ অব স্টাফ) মরহুম এ কে খন্দকার বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রথম প্রধান ছিলেন। সাবেক এই এয়ার ভাইস মার্শাল গ্রুপ ক্যাপ্টেন হিসেবে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ও সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদান রাখার জন্য ‘বীর উত্তম’ খেতাব এবং ২০১১ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।
দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য ‘৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে তার অসামান্য অবদানের জন্য তিনি জাতির কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। দেশের প্রতি মমত্ববোধ ও দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য তার নিবেদিতপ্রাণ ভূমিকা অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। পৃথিবী থেকে তার চিরবিদায়ে আমি ব্যথিত ও মর্মাহত হয়েছি। দোয়া করি–মহান রাব্বুল আলামিন যেন তাকে বেহেস্ত নসীব এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গকে ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা দান করেন।
বিএনপি মহাসচিব শোকবার্তায় এ কে খন্দকার বীর উত্তম-এর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকার্ত পরিবারবর্গ, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। বাসস



