উখিয়ায় পাহাড়ধসে মৃত্যুর ঘটনায় ছাত্রশিবিরের শোক

‘কক্সবাজারের উখিয়ার ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ‘খাদিজাতুল কুবরা মহিলা হিফজখানা’ মাদরাসার ওপর পাহাড়ধসে পবিত্র কোরআন অধ্যয়নরত নিষ্পাপ শিশু শিক্ষার্থী ও শিক্ষিকার আকস্মিক মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও বেদনাদায়ক।’

নিজস্ব প্রতিবেদক
ছাত্রশিবির
ছাত্রশিবির |সংগৃহীত

কক্সবাজারের উখিয়ায় টানা ভারী বর্ষণে ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ‘খাদিজাতুল কুবরা মহিলা হিফজখানা’ মাদরাসার ওপর পাহাড়ধসে ছয় মাদরাসা ছাত্রী ও এক শিক্ষিকাসহ আট নারীর মৃত্যু এবং জেলাজুড়ে বন্যা ও পাহাড়ধসে গত তিন দিনে ২১ জনের প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এ শোক প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, কক্সবাজারের উখিয়ার ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ‘খাদিজাতুল কুবরা মহিলা হিফজখানা’ মাদরাসার ওপর পাহাড়ধসে পবিত্র কোরআন অধ্যয়নরত নিষ্পাপ শিশু শিক্ষার্থী ও শিক্ষিকার আকস্মিক মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও বেদনাদায়ক। এর আগে গত সোমবার ও মঙ্গলবার পৃথক পাহাড়ধস ও বন্যায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং আশপাশের স্থানীয় এলাকায় আরো ১৩ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এসব মর্মান্তিক ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোকাহত। দলটি নিহতদের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, টানা বর্ষণে পাহাড়-সংলগ্ন বসতিগুলো যে চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অজানা ছিল না। সময়মতো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হলে হয়তো এ ধরনের মর্মান্তিক প্রাণহানি অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব হতো। আমরা সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ, জেলা প্রশাসন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থাগুলোর প্রতি উদ্ধার কার্যক্রম আরো জোরদার করা, আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দ্রুত পুনর্বাসনের জন্য জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানান।