বাংলাদেশের স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী অকুতোভয় সৈনিক ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির শাহাদাতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো: নূরুল ইসলাম বুলবুল এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
এক যৌথ শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ বলেন, শহীদ শরীফ ওসমান হাদি ছিলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্বের এক অতন্দ্র প্রহরী। তিনি আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ছিলেন বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। তার বজ্রকন্ঠে কেঁপে উঠেছিল আধিপত্যবাদের মসনদ। ফলে আধিপত্যবাদের দোসর সন্ত্রাসী আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের দিয়ে টার্গেট কিলিংয়ের পথ বেছে নেয়। তারা ওসমান হাদিকে টার্গেট করে মাথায় গুলি করে। ঘাতকের বুলেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অকুতোভয় সৈনিক ওসমান হাদি ইন্তেকাল করেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ওসমান হাদির শাহাদাতে আমরা হারালাম এক বিরল প্রতিভাকে। যিনি ছিলেন বুদ্ধিদীপ্ত, সাহসি, আপোষহীন, অদম্য মনোভাব আর নির্ভীকের প্রতীক। তিনি একাধারে গবেষক, কবি, বিতার্কিক, অন্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদকারী, নিখাঁদ দেশপ্রেমিক। জুলাই বিপ্লবের মহানায়ক ওসমান হাদি বিপ্লব পরবর্তী ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বহু প্রতিবিপ্লবের অপচেষ্টা রুখে দেয়ার কারিগর ছিলেন। ওসমান হাদির শাহাদাতে জাতির অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।
নেতৃবৃন্দ, ওসমান হাদির রূহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। তারা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে দোয়া করেন, আল্লাহ যেন ওসমান হাদির জীবনের নেক আমল সমূহের পাশাপাশি দ্বীন কায়েমের মাধ্যমে ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে তার ভূমিকা কবুল করে তাকে শহীদী মর্যাদা দান করেন। এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য্য ধারণ করার তৌফিক দান করেন।
উল্লেখ্য যে, ওসমান হাদি (৩৩) গত ১২ ডিসেম্বর ঘাতকের গুলিতে আহত হন। পরবর্তীতে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে শাহাদাত বরণ করেন। নেতৃবৃন্দ, দ্রুততম সময়ের মধ্যে তার হত্যার সাথে জড়িত সকল অপশক্তিকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।



