ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, ‘হেফাজতে ইসলাম কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়। বাংলাদেশে ইসলামকে সুরক্ষিত রাখা এবং একে সঠিক পথে পরিচালনার জন্য এটি একটি ধর্মীয় অরাজনৈতিক সংগঠন, যা মূলত দ্বীনের হেফাজত করে।’
রোববার (১৯ জুলাই) রাতে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িস্থ জামিয়া বাবুনগর মাদরাসায় হেফাজত আমিরের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ধর্মভিত্তিক রাজনীতির বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা হেফাজতের সাথে কখনো রাজনৈতিক সম্পর্ক রাখিনি। দলগতভাবে আমরা ধর্মীয় রাজনীতির বিপক্ষে। হেফাজত কখনো নিজেদের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত করেনি বলেই নীতিগতভাবে আমি তাদের পছন্দ করি। তারা সব সময় ইসলামের পক্ষে কথা বলে।’
সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি ও আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন দেয়ার কথা বলা হয়েছে, তা সত্য। তবে এবার পার্বত্য তিন জেলা ও সিলেটে গত ৪৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ভয়াবহ প্লাবন হয়েছে। এই মুহূর্তে আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন করা। মানুষের এই দুর্যোগের দিনে রাজনীতি ও নির্বাচন পরের বিষয়।’
এর আগে প্রতিমন্ত্রী বাবুনগর মাদরাসায় পৌঁছালে মাদরাসার শিক্ষক ও হেফাজত নেতারা তাকে স্বাগত জানান। তিনি হেফাজত আমির আল্লামা মহিবুল্লাহ বাবুনগরীর শারীরিক ও সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং তার কাছ থেকে দোয়া চান।
সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়কালে ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মুহাম্মদ ইব্রাহিম, ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আলম খান, হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির আল্লামা আইয়ুব বাবুনগরী, কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা জুনায়েদ বিন জালাল, আবু তালেব, মাওলানা ইয়াহিয়া এবং নাজিরহাট পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক এজাহার মিয়াসহ বিএনপি ও হেফাজতের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।



