জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির নেতা এবং পরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য উপদেষ্টা হওয়া মাহফুজ আলম বলেছেন, শুরু থেকেই নাগরিক কমিটি ও এনসিপি গঠনে তিনি সম্পৃক্ত থাকলেও তিনি এ এনসিপির অংশ হচ্ছেন না।
তিনি এ মাসেই তফসিল ঘোষণার আগে সরকার থেকে পদত্যাগ করেছেন।
পদত্যাগের পরে তিনি কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দেননি। তবে উপদেষ্টা পরিষদ ছাড়ার পর তিনি এনসিপি থেকে প্রার্থী হবেন কি না, তা নিয়ে আলোচনা ছিল।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) ফেসবুকে দেয়া একটি পোস্টে মাহফুজ আলম লিখেছেন, ‘নাগরিক কমিটি ও এনসিপি জুলাইয়ের সম্মুখসারির নেতৃত্বে সংগঠিত হয়েছিল। এ দুটি সংগঠনে আমার জুলাই সহযোদ্ধারা থাকায় গত দেড় বছর আমি চাহিবামাত্র তাদের পরামর্শ, নির্দেশনা ও পলিসিগত (নীতিগত) জায়গায় সহযোগিতা করেছি।’
‘এনসিপিকে একটা বিগ জুলাই আম্ব্রেলা আকারে স্বতন্ত্র উপায়ে দাঁড় করানোর জন্য আমি সকল চেষ্টাই করেছি। কিন্তু, অনেক কারণেই সেটা সম্ভব হয়নি।’
তিনি আরো লিখেন, ‘বিদ্যমান বাস্তবতায় আমার জুলাই সহযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান, স্নেহ ও বন্ধুত্ব মুছে যাবে না। কিন্তু, আমি এ এনসিপির অংশ হচ্ছি না। আমাকে জামায়াত-এনসিপি জোট থেকে প্রস্তাব দেয়া হয়নি, এটা সত্য নয়। কিন্তু ঢাকার কোনো একটা আসনে জামায়াত-এনসিপি জোটের প্রার্থী হওয়ার চাইতে আমার লং স্টান্ডিং পজিশন ধরে রাখা অধিক গুরুত্বপূর্ণ।’
নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মাহফুজ আলম বলেছেন, ‘ইতিহাসের এ চলতি পর্বে বাংলাদেশ একটা শীতল যুদ্ধে আছে। এ পর্বে কোনো পক্ষ না নিয়ে নিজেদের বক্তব্য ও নীতিতে অটল থাকাই শ্রেয়।’
শেষে তিনি বলেছেন, গত দেড় বছরে তিনি যা বলেছেন এবং যে নীতিতে বিশ্বাস রেখেছেন তা অব্যাহত রাখবেন। কেউ তার সাথে যোগ দিলে তাকে স্বাগত জানাবেন তিনি। নতুন রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক বন্দোবস্ত সম্ভব ও বাস্তব দাবি করে মাহফুজ আলম বলেন, ‘বিকল্প ও মধ্যপন্থী তরুণ/জুলাই শক্তির উত্থান অত্যাসন্ন।’



