যুগপৎ শরিকদের জন্য ১৪টি আসন ছেড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।
বুধবার বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি জানান, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) রেদোয়ান আহমেদ কুমিল্লা-৭ আসন, এনপিপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ফরিদুজ্জামান ফরহাদ নড়াইল-২, ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি রশিদ যশোর-৫, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর পটুয়াখালী-৩, সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান ঝিনাইদহ-২, জাতীয় পার্টির মোস্তফা জামান হায়দার পিরোজপুর-১, এনডিএমের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ ঢাকা-১৩, বিপ্লবী ওয়াকার্স পাটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক ঢাকা-১২, গণসংহতির প্রধান সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকি বি-বাড়িয়া-৬, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বগুড়া-২ আসনে বিএনপির পক্ষে নির্বাচনে অংশ নেবেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, যুগপৎ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর সাথে রাজনৈতিক ঐক্য ও পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতেই এই আসন সমঝোতা সম্পন্ন হয়েছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনকে আরো শক্তিশালী করতেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং সদ্য বিএনপিতে যোগ দেয়া ড. রেদোয়ান আহমেদ।
এর আগে, মঙ্গলবার জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশকে ৪টি আসন ছেড়ে দেয় বিএনপি। সেগুলো হলো-
সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট)। এখানে প্রার্থী হবেন জমিয়তের সভাপতি মাওলানা মো: উবায়দুল্লাহ ফারুক, নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা)। এখানে প্রার্থী হবেন জমিয়তের মহাসচিব মাওলানা মো: মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ)। এখানে প্রার্থী হবেন জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল-হাবীব ও নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা)। এখানে প্রার্থী হবেন দলটির যুগ্ম মহাসচিব মুফতী মনির হোসাইন কাসেমী।



