ইসিতে বৈঠক শেষে ডা: তাহের

আগামীর নির্বাচন যদি ‘সাজানো’ হয়, বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে

‘গত কয়েক দিনে সরকারের আচরণে শুধু আমাদের মনে নয়, সবার মনেই আশঙ্কা হচ্ছে।’

বিশেষ সংবাদদাতা
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সাথে বৈঠক শেষে ডা: তাহের
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সাথে বৈঠক শেষে ডা: তাহের |নয়া দিগন্ত

আগামী নির্বাচন যদি অ্যারেঞ্জ (সাজানো) নির্বাচন হয়, তাহলে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা: সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো: তাহের।

তিনি বলেন, ‘ফেয়ার নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি স্থাপন করার কথা বলেছি।’

বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সাথে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা: তাহের বলেন, ‘একটি দলের ১২/১৩ জনের দ্বৈত নাগরিকত্ব আছে। তারপরও তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তা। প্রার্থীতা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে এটা প্রশাসনের বৈষম্যমূলক আচরণ।’

তিনি বলেন, ‘একজনকে অনেক প্রটেকশন দেয়া হচ্ছে। এটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। আর একটি দলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কার্ড দেয়া হচ্ছে। যা আচরণবিধি লঙ্ঘন।’

এক প্রশ্নের জবাবে ডা: তাহের বলেন, ‘আমরা কোনো এসপি-ডিসির তালিকা দেইনি।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের সাথে আমাদের কোনো ফরমাল মিটিং হয়নি। সেটা ছিল সমবেদনার জন্য দেখা করা।’

একতরফা নির্বাচন সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গত কয়েক দিনে সরকারের আচরণে শুধু আমাদের মনে নয়, সবার মনেই আশঙ্কা হচ্ছে।’

বৈঠকে জামায়াতের ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদলে সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, নির্বাচন কমিশনের চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব উপস্থিত ছিলেন।