মির্জা ফখরুল

শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার জাতীয়তাবাদী দর্শনের ধারাবাহিকতায় কাজ করবেন তারেক রহমান

বেগম খালেদা জিয়াকে ভালোবাসার কারণ হচ্ছে- বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি ছিলেন এক বিরল ব্যক্তিত্ব। যিনি তার নীতির প্রশ্নে কখনো আপস করেননি, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কখনো আপস করেননি।

অনলাইন প্রতিবেদক
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর |নয়া দিগন্ত

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের যে দর্শন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দিয়ে গেছেন, সেটিকে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া উপরে তুলে ধরেছিলেন। একইভাবে স্বাধীনতার সার্বভৌমত্বের পতাকাও তিনি তুলে ধরেছিলেন। ঠিক সেই ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানও জনগণকে সাথে নিয়ে এই দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য কাজ করবেন, গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করবেন- এটাই মানুষের প্রত্যাশা।

আজ বৃহস্পতিবার বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে থেকে বের হওয়ার সময় গণমাধ্যমকে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে ভালোবাসার কারণ হচ্ছে- বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি ছিলেন এক বিরল ব্যক্তিত্ব। যিনি তার নীতির প্রশ্নে কখনো আপস করেননি, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কখনো আপস করেননি। যিনি তার সমগ্র জীবন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে লড়াই করেছেন, কারাভোগ করেছেন। শেষদিন পর্যন্ত তিনি অসুস্থ ছিলেন, কিন্তু কখনো এই দেশ ছেড়ে চলে যাননি।

তিনি বলেন, এই যে দেশের প্রতি ভালোবাসা, মাটির প্রতি ভালোবাসা, মানুষের প্রতি ভালোবাসা- এই সবকিছুই মানুষকে গভীরভাবে আলোড়িত করেছে। আর দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে, যখন তার অভিভাবকত্ব সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল, সেই সময়ে তার চলে যাওয়ায় মানুষ সবচেয়ে বেশি মর্মাহত হয়েছে। সে কারণেই দেশনেত্রীর নামাজে জানাজায় তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় মানুষ সমাবেত হয়েছে, চোখের পানি ফেলেছে এবং অত্যন্ত আশা নিয়ে ফিরে গেছে- তার চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে কর্তব্য রয়েছে, সে কর্তব্য তারা পালন করবে। এবং আগামী নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করার মাধ্যমে এই দেশের পক্ষে যে শক্তি রয়েছে- জাতীয়তাবাদী দল, তাকেই তারা বিজয়ী করবে বলে আমি মনে করি।