আমরা এখন পর্যন্ত কোনো থ্রেট অনুভব করিনি : র‍্যাব ডিজি

ঈদে রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে জনসমাগম তুলনামূলক কমে যাওয়ায় চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধের ঝুঁকি থাকে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাত্রিকালীন নিরাপত্তা চৌকির সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। একই সাথে সব মেট্রোপলিটন শহর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে রাত্রিকালীন টহল ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সংবাদ সন্মেলন করছেন র‍্যাব ডিজি মো: আহসান হাবীব পলাশ
সংবাদ সন্মেলন করছেন র‍্যাব ডিজি মো: আহসান হাবীব পলাশ |ইন্টারনেট

র‍্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) ও অতিরিক্ত আইজিপি মো: আহসান হাবীব পলাশ বলেছেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে র‍্যাব ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। আমরা এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের থ্রেট অনুভব করিনি। তবে থ্রেট না থাকলেও আমাদের নিজস্ব যে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে, সেটি জোরদার রয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের ঈদের নামাজের নিরাপত্তা এবং দেশবাসীর নির্বিঘ্নে ঈদ উৎসব উদযাপনে র‌্যাবের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সংবাদ সন্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

র‍্যাব ডিজি বলেন, ঈদের প্রধান জামাতগুলোতে নিরাপত্তা রক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে মোবাইল চেকপোস্ট স্থাপনের মাধ্যমে তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। দেশব্যাপী অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে চেকপোস্টের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

ঈদকে কেন্দ্র করে ফাঁকা রাজধানীর নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঈদে রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে জনসমাগম তুলনামূলক কমে যাওয়ায় চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধের ঝুঁকি থাকে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাত্রিকালীন নিরাপত্তা চৌকির সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। একই সাথে সব মেট্রোপলিটন শহর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে রাত্রিকালীন টহল ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

কোরবানির পশুর হাট ও জাল টাকা রোধে র‍্যাবের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে আহসান হাবীব পলাশ বলেন, পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভোগান্তি রোধে র‍্যাবের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া জাল টাকা প্রতিরোধ ও শনাক্তকরণে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং জাল টাকা প্রস্তুতকারীদের বিরুদ্ধে র‍্যাবের অভিযান চলমান আছে। কোরবানির পশুবাহী যানবাহন যেন কেউ জোরপূর্বক নির্দিষ্ট কোনো হাটে নিয়ে যেতে বাধ্য করতে না পারে, সে বিষয়েও বিশেষ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো ধরনের গুজব ছড়ানো প্রতিরোধে র‍্যাবের সাইবার উইং সক্রিয় রয়েছে জানিয়ে র‍্যাব প্রধান বলেন, ঈদ ও কোরবানিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ যেন কোনো গুজব বা বিভ্রান্তিকর পোস্ট দিতে না পারে, সে লক্ষ্যে র‍্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি ও সাইবার মনিটরিং সার্বক্ষণিকভাবে চালু রয়েছে। কেউ এ ধরনের অপচেষ্টা চালালে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।