জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেছেন, এখন নির্বাচনের নামে যে আয়োজন হচ্ছে, তা একটা দলকে ক্ষমতায় আনার জন্য। আমরা বলতে চাই এটাই যদি আপনাদের মনে থাকে, তাহলে ভোট দিয়ে টাকা অপচয় না করে এমনিই ঘোষণা দিয়ে দেন।
শুক্রবার রাতে পঞ্চগড় সরকারি অডিটোরিয়ামে বিচার সংস্কার ও গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সংবিধানের দাবিতে রাজনৈতিক কর্মশালা ও সমন্বয় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সারোয়ার তুষার বলেন, পরিস্থিতি এখন এমন- হয় আমরা থাকব আর না হয় গণহত্যাকারী ও তাদের লোকজন থাকবে। আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনার জন্য কত কিছু করা হচ্ছে। আমাদের কথা খুব পরিষ্কার, যারা বাংলাদেশ বিরোধী রাজনৈতিক দল, যেমন- আওয়ামীলীগ ও জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না।
তিনি আরো বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই আমরা বলে গেছি বাহাত্তরের সংবিধান আর চলবে না। এই সংবিধান এখন মরহুম সংবিধান। আমাদের এখন নতুন সংবিধান বানাতে হবে। আওয়ামী লীগ এই সংবিধান জনগণের ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল। ওই সংবিধানে এক ব্যক্তিকে এবং একটি দলকে সকল ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। বাহাত্তরের সংবিধানের সবচেয়ে বড় ভিকটিম ছিল বিএনপি। কিন্তু তারা এখন এই সংবিধানের মহাপ্রেমিক হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, সংস্কারের নাম নেই। কিন্তু আগামী সরকারের মন্ত্রীদের জন্য এই সরকার গাড়ি কিনে ফেলেছে। এই সংস্কার না হলে বাংলাদেশে আরো একটি গণঅভ্যুত্থান হবে। যে আমলা ও পুলিশ দিয়ে অবৈধ নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল, তাদের কিন্তু বিচার হয়নি।
তিনি আরো বলের, ভিপি নুরের ওপর যেভাবে হামলা হয়েছে, কোনো স্বাধীন দেশে এভাবে কাউকে মারা হয় না। আমরা যদি প্রতিবাদ না করি, তাহলে আমাদের ওপরেও এই হামলা হবে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিচার করতে হবে। তাহলে এটি হবে ইতিহাস। পাশাপাশি ভোট বানচালের রাজনীতি সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
কর্মশালায় এনসিপি’র সদর উপজেলার আহ্বায়ক তানবীরুল বারী নয়ন, বোদা উপজেলার আহ্বায়ক শিশির আসাদসহ এনসিপি ও জাতীয় যুব শক্তির স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র : বাসস



