বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তর সভাপতি মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেছেন, ‘আমাদের মূল পরিচয় আমরা আল্লাহর খলিফা। মানবতার কল্যাণে আমাদের কাজ করতে হবে। তবে তার জন্য সবার আগে আমাদের নিজেদের গঠন করতে হবে। তারপর দাওয়াতী কাজ করতে।’
তিনি আরো বলেন, ‘লেখালেখি, গান, নাটক রচনা ও পরিবেশনের সাথে সাথে ব্যক্তিগত চরিত্রে সুন্দরের প্রতিফলন ঘটাতে পারলেই মানুষ আমাদের দাওয়াতে সাড়া দিয়ে আমাদের আদর্শ গ্রহণ করবে। ইসলাম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শোষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন সফল হবে।’
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর শহীদ মতিউর রহমান নিজামী মিলনায়তনে বাংলাদেশ কালচার একাডেমির (বিসিএ) মিলনমেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
বিসিএ’র সভাপতি আবেদুর রাহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মিলনমেলায় স্বাগতম বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সেক্রেটারি ইবরাহীম বাহারী।
দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি সাইফুল্লাহ মানছুর বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, ‘অনেকটা ত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকে ব্যর্থ করার জন্য চতুর্মুখী ষড়যন্ত্র ও তৎপরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। সাংস্কৃতিক কর্মীদের এ বিষয়ে সচেতনতার পাশাপাশি সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। বাংলাদেশ কালচারাল একাডেমির আজকের সুন্দর এই অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।’
স্বাগত বক্তব্যে ইবরাহীম বাহারী বলেন, “কবি মতিউর রহমান মল্লিকের ভাষায় আহ্বান জানাচ্ছি, ‘এখনো মানুষ মরে পথের পরে কি করে তাহলে তুমি নিবে বিশ্রাম।’ অর্থাৎ ৫ আগস্ট ২০২৪-এর পর আমাদের সংগ্রাম শেষ হয়নি। আমাদের কলমকে আরো শানিত করতে হবে, সত্য ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠাতার সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে। কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করার আগে বিশ্রামের সুযোগ নেই।”
দরসুল কুরআন পেশ করেন অধ্যাপক আব্দুস সামাদ। তিনি বলেন, ‘আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠা করলেই মানুষ দুনিয়া, আখেরাতে সুখে থাকবে। জান্নাতবাসী ও জাহান্নামবাসীরা কখনো সমান নয়, জান্নাতবাসীরাই প্রকৃত সফলকাম।’
সভাপতির বক্তব্যে আবেদুর রহমান সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘সাহিত্য-সংস্কৃতিকর্মীরা হলেন সমাজের সবচেয়ে সচেতন অংশ। তারা সতর্ক পাহারাদারের ভূমিকা পালন করলেই রাজনীতি দুর্বৃত্তায়নমুক্ত হবে।’



