কোরবানি ত্যাগের মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য অর্জনের উৎসব : মির্জা ফখরুল

আসুন, আমরা অঙ্গীকার করি-কায়েমী স্বার্থকে এড়িয়ে ঈদুল আজহার এই আনন্দ, ত্যাগ ও উৎসবের দিনে অসহায়-নিরন্ন মানুষের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেই।

অনলাইন প্রতিবেদক
মির্জা ফখরুল
মির্জা ফখরুল |ফাইল ছবি

ঈদুল আজহার প্রধান শিক্ষা হলো আল্লাহর প্রতি গভীর ভালবাসা ও নিঃশর্ত আনুগত্য প্রদর্শন। এটি ত্যাগের মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য অর্জনের উৎসব বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে এসব কথা জানান তিনি।

বাণীতে তিনি বলেন, বাংলাদেশসহ দুনিয়াজুড়ে মুসলমানদের আমি পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানাই। কামনা করি তাদের অবিরাম সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।

ইসলাম ও ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় দুইটি ধর্মীয় উৎসবের দ্বিতীয়টি ঈদুল আজহা। এর অন্তর্নিহিত চেতনা হচ্ছে ‘ত্যাগের উৎসব’। এটি কোরবানি ঈদ নামেও পরিচিত। ঈদুল আজহার তাৎপর্য হচ্ছে আল্লাহ’র নৈকট্য লাভ করা। সেজন্য বিশ্ব মুসলিম ঈদুল আজহার উৎসবে মিলিত হয়। মনের অশুভ অন্ধকার দূর করে সহজ-সরল-অনাড়াম্বর জীবন যাপনের মাধ্যমে স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জনের মূল শিক্ষার উৎসই হচ্ছে পশু কোরবানি। কোরবানির মহিমান্বিত শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আল্লাহ’র নিকট নিজেকে সমর্পণ করা এবং মানবকল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিৎ।

ঈদুল আজহার প্রধান শিক্ষা হলো আল্লাহর প্রতি গভীর ভালবাসা ও নিঃশর্ত আনুগত্য প্রদর্শন। এটি ত্যাগের মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য অর্জনের উৎসব। এর মাধ্যমে মুসলমানেরা মহান আল্লাহ পাকের প্রতি নিবেদিত বান্দা হওয়ার প্রেরণা পায়। প্রতিটি উৎসবই ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের চিত্তবৃত্তি ও ঔদার্য প্রসারিত করে। উৎসব মানবজাতিকে সম্প্রীতির অটুট বন্ধনে আবদ্ধ করে। সামাজিক অন্ধকারের গহন থেকে মানবিক আলোর ভূমিতে সমবেত করে। সুতরাং ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত ঈদুল আজহার উৎসবে সাম্য, উদারতা ও পারস্পারিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পায়। আসুন, আমরা অঙ্গীকার করি-কায়েমী স্বার্থকে এড়িয়ে ঈদুল আজহার এই আনন্দ, ত্যাগ ও উৎসবের দিনে অসহায়-নিরন্ন মানুষের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেই।

ঈদুল আজহা সকলের জীবনকে করে তুলুক আনন্দময়, মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে আমি এ প্রার্থনা জানাই।