এবারের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন লাইনচ্যুত একটি ট্রেনকে আবার লাইনে ফিরিয়ে এনে চালু করার মতো উদ্যোগ। ন্যূনতম মেরামত ও কিছু যন্ত্রাংশ পরিবর্তনের মাধ্যমে যদি নির্বাচন ব্যবস্থাকে সচল করা যায়, সেটাকেই বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হবে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো: সানাউল্লাহ।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনজিও ব্যুরো কার্যালয়ে ৮১টি সংস্থার মোর্চা এলায়েন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (এএফইডি)-এর একটি প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে ডেমোক্রেসি ওয়াচের চেয়ারপারসন তালেয়া রহমান, খান ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ার রোকসানা খন্দকারসহ সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা এবং বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনী ব্যবস্থা ও সংস্কার কার্যক্রম প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনকে যদি রূপকভাবে বলি, তাহলে এটি লাইনচ্যুত একটি ট্রেনকে আবার লাইনে ফিরিয়ে এনে চালু করার চেষ্টা। ন্যূনতম রিপেয়ার করে, কিছু যন্ত্রাংশ বদলে অন্তত গতি দেয়ার উদ্যোগ। আমরা যদি এটা করতে পারি, তাহলে এটিই হবে আমাদের প্রথম বড় সাফল্য।
তিনি বলেন, এ সাফল্যের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে নির্বাচন ব্যবস্থাকে আরো উন্নত করার দিকনির্দেশনায় এগোতে হবে।
নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে সানাউল্লাহ বলেন, পর্যবেক্ষকরা নির্বাচন কমিশনের তৃতীয় নয়ন। আমরা চাই তাদের পর্যবেক্ষণ মানসম্মত হোক। মৌলিক বিষয়ে যেন কোনো ব্যত্যয় না ঘটে। নীতিমালার মধ্যে থেকে সব ধরনের সহযোগিতা দেয়া হবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে বলেও জানান তিনি।



