আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্র নিকটস্থ থানায় জমা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।
সম্প্রতি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ের আগ্নেয়াস্ত্র শাখা থেকে জারি করা জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ঘোষিত নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ নিকটস্থ থানায় বা বৈধ ডিলারের নিকট লাইসেন্সধারী নিজে অথবা মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে জমা দিতে হবে। একইসাথে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ থাকবে।
এমতাবস্থায় সংশ্লিষ্ট সকলকে জানানো যাচ্ছে যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে বৈধ অস্ত্র প্রদর্শন নিষিদ্ধকরণ এবং বৈধ অস্ত্র জমা প্রদানের বিষয়ে দি আরমস অ্যাক্ট, ১৮৭৮-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার নিম্নোক্ত আদেশ জারি করেছে।
আগামী ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ দুপুর ২টার মধ্যে সকল বৈধ লাইসেন্সকৃত অস্ত্র নিকটস্থ থানায় বা বৈধ ডিলারের নিকট জমা দিতে হবে। জমাকৃত অস্ত্র আবশ্যিকভাবে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট থানায় বা সেফ কিপিং-এ সংরক্ষিত থাকবে।
এ আদেশ লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে দি আরমস অ্যাক্ট, ১৮৭৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারার বিধান অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ আদেশ নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না– ১. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, ২. বিভিন্ন সরকারি, আধাসরকারি ও বেসরকারি দফতর, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং ৩. স্থাপনাগুলোতে নিয়োজিত নিরাপত্তা প্রহরীরা।
‘আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগ নীতিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনে বৈধভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল ও গৃহীত জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এবং তাদের সশস্ত্র রিটেইনার।
ব্যাখ্যা : এ আদেশে ‘শৃঙ্খলা বাহিনী’ বলতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২-এ বর্ণিত শৃঙ্খলা বাহিনীকে বুঝাবে। বাসস



