দেশে পৌঁছেছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৯৮ পোস্টাল ব্যালট

ভোটসহ সংশ্লিষ্ট দেশের ডাকবাক্সে জমা ৪ লাখ ১৫ হাজার ৭৬২টি ব্যালট, দেশে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছে ১৭ হাজার ৫৩ জন

দেশের ভেতরে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছে ১৭ হাজার ৫৩ জন ভোটার। আর ভোটার কর্তৃক পোস্ট অফিস/ডাক বাক্সে জমা দেয়া হয়েছে ৯ হাজার ৮৪৩টি ব্যালট।

বিশেষ সংবাদদাতা
সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রবাসীদের পাঠানো পোস্টাল ব্যালট নির্বাচনী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো শুরু হয়েছে। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত ১ হাজার ৮৫৯টি প্রবাসী পোস্টাল ব্যালট সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ সৌদি আরবের ৫৬৪টি ব্যালট।

পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন ৪ লাখ ৬১ হাজার ৬০৪ জন প্রবাসী বাংলাদেশী। আর তাদের ভোটসহ পোস্টাল ব্যালট রোববার পর্যন্ত দেশের তেজগাঁও ডাক বিভাগের মেইলিং সেন্টারে ফিরেছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৯৮টি ব্যালট।

অন্যদিকে, দেশের ভেতরে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছে ১৭ হাজার ৫৩ জন ভোটার। আর ভোটার কর্তৃক পোস্ট অফিস/ডাক বাক্সে জমা দেয়া হয়েছে ৯ হাজার ৮৪৩টি ব্যালট।

ওসিভি ও আইসিপিভি প্রকল্প পরিচালক ড. সালীম আহমাদ খান এসব তথ্য জানিয়েছেন।

ইসির সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে জানা গেছে, প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের পোস্টাল ব্যালট সংশ্লিষ্ট দেশে পৌঁছেছে ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি। আর ভোট দিয়েছেন ৪ লাখ ৬১ হাজার ৬০৪ জন।

রোববার দুপুর পর্যন্ত ৪ লাখ ১৫ হাজার ৭৬২টি পোস্টাল ব্যালট সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট বক্সে জমা রয়েছে।

অন্যদিকে, রোববার পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরে ৫ লাখ ৮০ হাজার ৯৬৮টি পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে ভোটার ব্যালট গ্রহণ করেছেন ২৪ হাজার ৯১ জন। ভোট দিয়েছেন ১৭ হাজার ৫৩ জন ভোটার। আর ভোটার কর্তৃক পোস্ট অফিস/ডাক বাক্সে জমা দেয়া হয়েছে ৯ হাজার ৮৪৩টি।

ইসির দেয়া তথ্যানুযায়ী, রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠানো ব্যালটের মধ্যে মালয়েশিয়ার ১৭টি, কাতারে ৪৩০টি, ওমানের ৮৮টি, আমিরাতের ৫৯টি, যুক্তরাজ্যের ৯৮টি, আমেরিকার ১৬টি, ইতালির ৩৮টি, বাহরাইনের ২১৪টি, সিঙ্গাপুরের ২২টি, কানাডার ৭৩টি, দক্ষিণ কোরিয়ার ১৯টি, অস্ট্রেলিয়ার ৯টি, জাপানের ৫৮টি, ফ্রান্স ২১টি, পর্তুগাল ১০৭টি, স্পেন ৬টি, সুইডেন ও ব্রুনাইয়ের ৩টি করে।

সর্বোচ্চ ভোট দিয়েছে সৌদি আরব প্রবাসী ১ লাখ ৪৫ হাজার ১৫২ জন। এছাড়া ভোট দিয়েছেন মালয়েশিয়ার ৪২ হাজার ৬০৫ জন, কাতারে ৪৫ হাজার ৪৫০ জন, ওমানের ৩৯ হাজার ৯৪০ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ২১ হাজার ৮৪৭ জন।