বেনজীরকে ফেরাতে যেসব কার্যক্রম নিয়েছে সরকার, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বেনজীরকে ফেরাতে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে : হুমায়ুন কবির

‘বেনজীরসহ বিদেশে অবস্থানরত পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে কোনো শৈথিল্য দেখানো হবে না। তবে কাউকে ধরে এনে তাৎক্ষণিক শাস্তি দেয়া সম্ভব নয়। প্রত্যেককে বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই আইনের আওতায় আনতে হবে। তার ভাষায়, ‘আইনের হাত যেমন লম্বা, বিচারিক প্রক্রিয়াও অনেক লম্বা।’’

সংসদ প্রতিবেদক
সংসদে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
সংসদে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ |সংগৃহীত

সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে সরকারের নেয়া পদক্ষেপ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে তিনি কীভাবে জামিন পেলেন, তা দ্রুত জাতীয় সংসদকে জানাতে হবে। এ বিষয়ে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেমের আনা সাধারণ প্রস্তাব কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭(১) অনুযায়ী আনা প্রস্তাবের ওপর দীর্ঘ আলোচনা শেষে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তা গৃহীত হয়েছে বলে ঘোষণা করেন।

গৃহীত প্রস্তাবে বলা হয়, গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত বেনজীর আহমেদ কীভাবে দুবাইয়ে জামিন পেলেন এবং তাকে দেশে ফিরিয়ে বিচারের মুখোমুখি করতে সরকার কী ব্যবস্থা নিচ্ছে, তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মীর আহমাদ বিন কাসেমসহ সংসদ সদস্যদের যথাশীঘ্র অবহিত করবেন। স্পিকার জানান, এ বিষয়ে সরকারের নেয়া পদক্ষেপ অল্প সময়ের মধ্যে সংসদকে জানাতে হবে।

চার দিনের মধ্যেই প্রত্যর্পণ অনুরোধ পাঠানো হয়েছে

আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বেনজীরকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার আইনগত, কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক পুলিশি সহযোগিতার মাধ্যমে সক্রিয় রয়েছে। গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় কেন্দ্রীয় ব্যুরো (এনসিবি) আবুধাবি বাংলাদেশকে জানায়, বেনজীর দেশটিতে গ্রেফতার হয়েছেন। এর চার দিনের মধ্যে, ১৬ জুন, কূটনৈতিক চ্যানেলে ইউএইর কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ অনুরোধ পাঠানো হয়।

তিনি জানান, বাংলাদেশ ও ইউএইর মধ্যে পৃথক কোনো প্রত্যর্পণ চুক্তি নেই। ফলে দেশটির অভ্যন্তরীণ আইন, পারস্পরিক সহযোগিতার নীতি ও প্রযোজ্য আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামোর আওতায় প্রক্রিয়া এগিয়ে নেয়া হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত ৮ জুলাই ইউএইর বিচার মন্ত্রণালয় অতিরিক্ত তথ্য ও নথি চায়। এর মধ্যে ছিল পারস্পরিকতার নিশ্চয়তা, বাংলাদেশের আইনে মামলা ও দণ্ড কার্যকরের মেয়াদসংক্রান্ত বিবৃতি এবং গ্রেফতারি পরোয়ানাসহ বিভিন্ন নথি। এসব নথি ৪ আগস্ট কূটনৈতিক চ্যানেলে পাঠানো হয়। পরে ২২ আগস্ট আরো সুনির্দিষ্ট আইনি ব্যাখ্যা ও সংশ্লিষ্ট আইনের পূর্ণাঙ্গ পাঠ চাওয়া হয়। এ বিষয়ে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে। আইন ও বিচার বিভাগ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের মতামতের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় জবাব প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ইউএইতে বাংলাদেশের পক্ষে আইনি সহায়তার জন্য ৩০ জুলাই একটি স্থানীয় ল’ ফার্ম নিয়োগ করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বেনজীরের জামিনের খবর প্রকাশের পর তার অবস্থান ও চলাচল সম্পর্কে নজরদারি নিশ্চিত করতে এনসিবি আবুধাবিকে অনুরোধ করা হয়। ৩১ আগস্ট তার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কেও আনুষ্ঠানিক তথ্য চাওয়া হয়েছে।

গণমাধ্যমে বেনজীর ইউএই ছেড়ে সেন্ট লুসিয়ায় গেছেন বলে খবর প্রকাশিত হলেও কোনো বিদেশী কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি। তার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ কার্যকর রয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বেনজীরসহ বিদেশে অবস্থানরত পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে কোনো শৈথিল্য দেখানো হবে না। তবে কাউকে ধরে এনে তাৎক্ষণিক শাস্তি দেয়া সম্ভব নয়। প্রত্যেককে বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই আইনের আওতায় আনতে হবে। তার ভাষায়, ‘আইনের হাত যেমন লম্বা, বিচারিক প্রক্রিয়াও অনেক লম্বা।’

১৭ বছর নির্যাতন-নিপীড়নের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে

আলোচনায় আওয়ামী লীগ সরকারের ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের সময়ের সমালোচনা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর দেশকে নির্যাতন-নিপীড়ন, হামলা-মামলা, গুম ও হত্যার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। এসব নির্যাতনের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে বেনজীরের নাম সামনে আসে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

গুমের বিভিন্ন ঘটনায় সরকারি ও মানবাধিকার সংগঠনের হিসাবে ভিন্নতা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গুম কমিশনে জমা পড়া অভিযোগের অনেকগুলোর এখনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাতিসঙ্ঘের হিসাবে নিহতের সংখ্যা প্রায় এক হাজার ৪০০ হলেও প্রকৃত সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে। হাসপাতালের নথি না থাকা ও পরিচয়হীন লাশ দাফনের কারণে প্রকৃত সংখ্যা নিরূপণে জটিলতা রয়েছে।

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নতুন আইনে গুমের শিকার ব্যক্তি সরাসরি থানায় মামলা ও আদালতের আশ্রয় নিতে পারবেন। আগের ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এতে দূর করা হয়েছে। গুমের সংস্কৃতি চিরতরে বন্ধ করা সরকারের অঙ্গীকার বলেও জানান তিনি।

পলাতকদের ফেরাতে বিশেষ সেল গঠন করুন

বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা: সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, বেনজীরসহ বিদেশে পলাতক এবং দেশে থাকা আওয়ামী লীগের অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। পলাতকদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ সেল গঠনের প্রস্তাব দেন তিনি।

দুবাই থেকে বেনজীরের সহজে বেরিয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি প্রশ্ন করেন, তাকে ফেরাতে সরকার আগে যথাযথ আইনি উদ্যোগ নিয়েছিল কি না এবং পরে নিয়োগ দেয়া আইনজীবী প্রতিষ্ঠানটি আগে কেন দায়িত্ব পায়নি। সন্ত্রাসী, ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরাচারী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিষয়ে সরকারের আপসের সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বেনজীর ও সংশ্লিষ্টদের দেশে থাকা সম্পদ আইনগত প্রক্রিয়ায় বিক্রি করে ভুক্তভোগী পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার প্রস্তাব দেন ডা: তাহের।

বেনজীরকে ফেরাতে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে সরকার সক্রিয় কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

সংসদে আলোচনায় তিনি বলেন, গণমাধ্যমে বেনজীর সেন্ট লুসিয়ায় অবস্থান করছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত হতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। তবে ইউএই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বেনজীর বর্তমানে কোথায় আছেন সে বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বেনজীরকে দেশে ফেরানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ইউএইর মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ ও বন্দী হস্তান্তর-সংক্রান্ত ব্যবস্থায় কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এ কারণে সরাসরি প্রত্যর্পণের পাশাপাশি কেস-বাই-কেস ভিত্তিতে ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা চালানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে সরকার কোনোভাবেই নিষ্ক্রিয় নেই। সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিচ্ছে।

ব্যর্থতার কারণ স্পষ্ট করতে হবে

এনসিপির সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেন, জুলাই গণহত্যা ও ফ্যাসিবাদী শাসনের সাথে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা সংসদের অন্যতম দায়িত্ব। বেনজীরকে ফেরাতে সরকারের উদ্যোগের অগ্রগতি ও ব্যর্থতার কারণ স্পষ্ট করার দাবি জানান তিনি। শেখ হাসিনাসহ বিদেশে থাকা অভিযুক্তদের ফিরিয়ে আনা, পাসপোর্ট বাতিল ও গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদারের আহ্বান জানান। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুম-খুন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন ঠেকাতে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও জবাবদিহিতার দাবি জানান তিনি।

ছয়টি পাসপোর্ট পাওয়ার মতো ঘটনার বিচার হওয়া জরুরি

সড়ক ও সেতু প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ রাজিব আহসান বলেন, রাজনৈতিক বিরোধীদের গুম-হত্যা, অবৈধ সম্পদ অর্জন, জমি দখল এবং একজন সরকারি কর্মকর্তার ছয়টি পাসপোর্ট পাওয়ার মতো ঘটনার বিচার হওয়া জরুরি। বেনজীরের মতো অভিযুক্তদের আইনের ফাঁক গলে বিদেশে থাকার সুযোগ দেয়া উচিত নয়। ইউএইর সাথে প্রত্যর্পণ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা দূর এবং ভারতে থাকা শেখ হাসিনাসহ অভিযুক্ত সাবেক কর্মকর্তাদের ফিরিয়ে আনতে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানান তিনি।

সংরক্ষিত আসনের সদস্য তাসমিয়া প্রধান বলেন, বেনজীরের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ, গুম-খুন ও হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পদ দখলসহ গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। ইন্টারপোলের উদ্যোগের পরও তিনি কীভাবে দেশের বাইরে রয়েছেন, সে প্রশ্ন তুলে তাকে ফেরাতে ব্যর্থতার কারণ সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেন।

পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেন বলেন, বেনজীর দীর্ঘদিন শেখ হাসিনা সরকারের শাসন দীর্ঘায়িত করতে ভূমিকা রেখেছেন। র‌্যাবের দায়িত্বে থাকাকালে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিকে দমন, গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় তার ভূমিকা তদন্তের দাবি জানান তিনি। ইলিয়াস আলীসহ গুমের ঘটনায় বেনজীরের ভূমিকা এবং ছয়টি দেশের পাসপোর্ট পাওয়ার বিষয়টি তদন্ত করে সহযোগীদের চিহ্নিত করার দাবি জানান।

সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মারজিয়া বেগম বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা গুম-হত্যায় জড়ালে রাষ্ট্রের প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট হয়। নিজের স্বামী চিকিৎসক ফয়েজ আহমেদকে রাষ্ট্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্যাতনের পর হত্যার অভিযোগ তুলে তিনি বেনজীরকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে তার অবৈধ সম্পদ জব্দ এবং গুম-হত্যার বিচার দাবি করেন।

ফরিদপুর-৪ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেফতারের পর ইউএইর আইনি প্রক্রিয়ায় বেনজীর কীভাবে মুক্ত হয়ে সেন্ট লুসিয়ায় গেলেন, তার ব্যাখ্যা দিতে হবে। তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের আইনগত ও কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারের দাবি জানান তিনি।

জুলাই শিশু শহীদ মা সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রোকেয়া বেগম বলেন, বেনজীরের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ, জ্ঞাত আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জন, অর্থপাচার, পাসপোর্ট জালিয়াতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশও রয়েছে। বেনজীর বর্তমানে কোথায় এবং তিনি হেফাজতে না মুক্ত—তা সংসদকে জানিয়ে তাকে ফেরাতে সরকারের পদক্ষেপের স্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেন তিনি। বিদেশে থাকা অভিযুক্তদের মামলা, সম্পদ শনাক্ত, প্রত্যাবর্তন ও বিচারপ্রক্রিয়ার অগ্রগতিও সংসদে নিয়মিত জানানোর দাবি করেন।

আলোচনা শেষে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রস্তাবটি ভোটে দিলে তা কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়।

ফলে বেনজীর আহমদ কীভাবে ইউএইতে জামিন পেলেন এবং তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের পদক্ষেপ কী—দুই বিষয়েই সংসদকে দ্রুত অবহিত করতে হবে।