প্রত্যাশা জাপা মহাসচিবের

সুষ্ঠু ভোট হলে ৪০ থেকে ৭০টি আসন পাবো

দেশে সুষ্ঠ নির্বাচন করতে গেলে প্রার্থীর কমফোর্ট খুব বেশি প্রয়োজন। যারা নির্বাচন করে, তারা জনস্বার্থে নির্বাচনে আসে। আমরা দেখেছি, তুচ্ছ ভুলের কারণে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।

বিশেষ সংবাদদাতা
জাপা মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী
জাপা মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী |ইন্টারনেট

ভোটের মাঠ অত্যন্ত ফ্লুইড। যদি সুষ্ঠ ভোট হয়, লেভেল প্লেইং ফিল্ড থাকে। আমি মনে করি, ৪০ থেকে ৭০টি আসন পাবে জাতীয় পার্টি (জাপা) বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন দলটির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী।

তিনি বলেন, আমরা মনে করি যে দেশে সুষ্ঠ নির্বাচন করতে গেলে প্রার্থীর কমফোর্ট খুব বেশি প্রয়োজন। যারা নির্বাচন করে, তারা জনস্বার্থে নির্বাচনে আসে। আমরা দেখেছি, তুচ্ছ ভুলের কারণে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।

আগারগাওস্থ নির্বাচন ভবনে আজ রোববার দুপুরে দলের প্রার্থীদের আপিলের শুনানিতে এসে গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন শামীম হায়দার।

তিনি বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তারা ভুলে গেছে ১২ তারিখ থেকে ২৯ তারিখ পর্যন্ত এই ১৭ দিন ডিসেম্বর মাসে দেশে খুব একটা স্বাভাবিক পরিবেশ ছিল না। ওসমান হাদির হত্যা হয়েছে। তাকে যখন গুলি করা হয়েছে, তখন দেশে আনরেস্ট ছিল। হত্যার মৃত্যুর খবরের পরে দেশে দুই-তিন দিন আনরেস্ট ছিল।’

ব্যারিস্টার শামীম বলেন, তারেক জিয়া দেশে আসছেন। সব মিলিয়ে প্রার্থীরা খুব কমফোর্টেবলি মনোনয়ন জমা নিয়ে জমা দিতে পারেনি। প্লাস আমাদের মনে হয়েছে অন গ্রাউন্ড, যারা আমাদের সহযোগিতা করতো আগের ভোটে ইলেকশন কর্মকর্তারা টিএনওরা ডিসিরা, সেখান থেকেও প্রার্থীরা স্বস্তস্ফুর্ত সহযোগিতা পরিপূর্ণভাবে পায়নি।

জাপা মহাসচিব বলেন, এবার আমরা দেখেছি টেকনিক্যাল গ্রাউন্ডে প্রচুর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। সৌভাগ্যের বিষয় অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল ওপেন মাইন্ড নিয়ে যাচাই বাছাই করে সেগুলো এলাও করছেন আপিলের ক্ষেত্রে। এটি একটি ভালো দিক।

তিনি বলেন, সকল দলই একত্রিত হয়ে স্বস্তস্ফূর্তভাবে নির্বাচনে যাবে। সবাই সবাইকে স্পেস দেবে। আমরা মনে করি, এরকম একটি সমঝোতা আলোচনা প্রত্যেক নির্বাচনের আগেও হয়েছে।