এআই দিয়ে তৈরি পুলিশ সদর দফতরের (মিডিয়া) বক্তব্যের ভিডিও ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।
বাংলাফ্যাক্ট জানায়, বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আওয়ামী প্রোপাগান্ডা পেজ থেকে পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া) এইচ এম শাহাদাত হোসাইনের একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়।
ভিডিওটিতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘সকাল থেকে এখন পর্যন্ত যানবাহন চলাচল বন্ধ, দেশবাসী লকডাউনকে সমর্থন দিয়েছে। তবে আমাদের আশঙ্কা, হয়তো বা দুপুরের পর থেকে নাশকতা হতে পারে এবং খবর আছে যে মেট্রোরেলে আগুন দেয়া হবে। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি এবং আশা করছি দ্রুত অপরাধীদের খুঁজে বের করতে পারব। আমাদের বাহিনী অক্লান্ত পরিশ্রম করছে।’
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ভিডিওটি এআই দিয়ে তৈরি করা। এআই এর সাহায্যে ভিন্ন ভিডিও থেকে বিকৃত করে প্রচার করা হচ্ছে। পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এইচ এম শাহাদাত হোসাইনের এমন মন্তব্য মূল ধারার গণমাধ্যম বা নির্ভরযোগ্য সূত্রে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
নিবিড় পর্যবেক্ষণে ভিডিওটিতে এইচ এম শাহাদাত হোসাইনের মুখমণ্ডল ও অভিব্যক্তিতে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। এগুলো সাধারণত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে পরিবর্তিত বা তৈরি ভিডিওতে দেখা যায়। দাবিটি মিথ্যা বলে শনাক্ত করেছে বাংলাফ্যাক্ট
‘বাংলা ফ্যাক্ট’ প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ পিআইবির ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।
গত বছর থেকে ভারতীয় গণমাধ্যম এবং ভারত থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, পাশাপাশি দেশেও বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে বাংলাদেশকে জড়িয়ে, অন্তর্বর্তী সরকার, চব্বিশের আন্দোলনে অংশ নেয়া দল ও সংগঠনের বিরুদ্ধে গুজব, ভুয়া তথ্য প্রচারের হার বেড়েছে বলে প্রমাণ পেয়েছে ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো।
ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বাংলাফ্যাক্ট। বাংলাদেশে চলমান গুজব এবং ভুয়া খবর, অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেয়ায় দায়িত্ব পালন করছে বাংলাফ্যাক্ট। সূত্র : বাসস



