এলএনজি কার্গো না থাকায় এক্সিলারেটের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) এক কর্মকর্তা জানান, এক্সিলারেটের টার্মিনালে বর্তমানে কোনো এলএনজি কার্গো নেই। আগামী ২৩ আগস্ট একটি কার্গো আসার কথা রয়েছে। সেটি টার্মিনালে যুক্ত হওয়ার পর গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

এলএনজি কার্গো না থাকায় মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। বুধবার বিকেল ৩টা থেকে বন্ধ রয়েছে টার্মিনালটির কার্যক্রম। আগামী ২৩ আগস্ট এলএনজি কার্গো পৌঁছানোর পর পুনরায় সরবরাহ শুরু হতে পারে।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) এক কর্মকর্তা জানান, এক্সিলারেটের টার্মিনালে বর্তমানে কোনো এলএনজি কার্গো নেই। আগামী ২৩ আগস্ট একটি কার্গো আসার কথা রয়েছে। সেটি টার্মিনালে যুক্ত হওয়ার পর গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে।

এদিকে একই এলাকায় থাকা সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল চালু রয়েছে। আরপিজিসিএলের উপমহাব্যবস্থাপক (এলএনজি) কে এম জহিরুল ইসলাম জানান, বুধবার রাত ৯টা পর্যন্ত সামিটের টার্মিনাল থেকে ঘণ্টায় ৫৫৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে।

মহেশখালীতে স্থাপিত সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ দেওয়া হয়। গত ২১ জুলাই এক্সিলারেটের টার্মিনালে আগুন লাগার পর সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে মেরামত শেষে ৫ আগস্ট আংশিকভাবে গ্যাস সরবরাহ শুরু করা হয়েছিল।

এর আগে বৈরী আবহাওয়ার কারণে সামিটের টার্মিনাল থেকেও তিন দিন এলএনজি খালাস বন্ধ ছিল। এতে দুই টার্মিনাল থেকে সরবরাহ কমে দেশজুড়ে গ্যাস সঙ্কট তীব্র আকার ধারণ করে। এর প্রভাব পড়ে শিল্পকারখানায়। এখন এলএনজি কার্গো না থাকায় এক্সিলারেটের টার্মিনাল আবার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।