এডিপি বাস্তবায়ন : সূচনায় অগ্রগতিহীন স্বাস্থ্যখাতের প্রকল্প

এডিসি বাস্তবায়ন হার ০.৬৯ শতাংশ, ১০ মন্ত্রণালয়ের কোনো অগ্রগতি নেই

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এডিপির আকার ৩ লাখ ৮ হাজার ৯২৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। জুলাই মাসে বাস্তবায়নের মধ্যে জিওবি খাতে ০.৭৭ শতাংশ, পিএ খাতে ০.৪৪ শতাংশ এবং সংস্থার ২.০২ শতাংশ।

বিশেষ সংবাদদাতা

সরকার পরিবর্তনেও দেশে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে মন্থর গতি। এডিপি বাস্তবায়ন হার জুলাই মাসে মাত্র ০.৬৯ শতাংশ। জুলাইয়ে স্বাস্থ্য খাতের কোনো অগ্রগতি নেই। অথচ প্রকল্প ৩০টি। যার বিপরীতে বরাদ্দ সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকা।

আর ১০ বিভাগ ও মন্ত্রণালয়ের কোনো অগ্রগতি নেই চলতি অর্থবছরের জুলাই মাসে। সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া ১৫ মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন হার ১.২৪ শতাংশ।

সোমবার (২৪ আগস্ট) পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) হালনাগাদ তথ্যে এমনটাই প্রকাশ করা হয়েছে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এডিপির আকার ৩ লাখ ৮ হাজার ৯২৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। জুলাই মাসে বাস্তবায়নের মধ্যে জিওবি খাতে ০.৭৭ শতাংশ, পিএ খাতে ০.৪৪ শতাংশ এবং সংস্থার ২.০২ শতাংশ। গত অর্থবছরও বাস্তবায়ন হার ০.৬৯ শতাংশ ছিল। প্রথম মাসে ১০টি মন্ত্রণালয়ের কোনো অগ্রগতি নেই। তবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাইয়ে সার্বিক এ হার ছিল ১ দশমিক ০৫ শতাংশ।

দেশের স্বাস্থ্য খাতের অবস্থা প্রকল্প বাস্তবায়নের মতোই। কোনো অগ্রগতি নেই এই খাতের। সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া মন্ত্রণালয়ের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অন্যতম। কিন্তু তারা এডিপি বাস্তবায়নে সূচনাতে ব্যর্থ। মোট এডিপির ৩.৭৩ শতাংশ এই খাতের।

আইএমইডির তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ ব্যয় করেছে ২ হাজার ১২১ দশমিক ১৮ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ব্যয় হয়েছিল ১ হাজার ৬৪৪ দশমিক ৬৬ কোটি টাকা।