সরাসরি নারী আসন নিয়ে ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাব

ত্রয়োদশ ৭ ও চতুর্দশ ১৫ শতাংশ এবং পঞ্চদশ নির্বাচনে ১০০ আসন

বুধবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনা শুরুর পর্বে এ প্রস্তাব রাখে ঐকমত্য কমিশন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব ক্রমান্বয়ে সরাসরি ১০০ আসনে উন্নীত করার লক্ষ্যে নতুন সংশোধিত প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

বুধবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনা শুরুর পর্বে এ প্রস্তাব রাখে ঐকমত্য কমিশন।

প্রস্তাব হলো-

(১) বিদ্যমান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৫ -এর দফা (৩) এ প্রয়োজনীয় সংশোধনীর মাধ্যমে বিদ্যমান সংরক্ষিত ৫০টি আসন রেখে প্রতিটি রাজনৈতিক দল জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ স্বাক্ষরের পরবর্তী সাধারন নির্বাচন হইতে ৭ শতাংশ আসনে নারী প্রার্থী মনোনয়ন প্রদান করিবে।

(২) তৎপরবর্তী নির্বাচনে ১৫ শতাংশ আসনে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্যে প্রত্যেক রাজনৈতিক দল নারী প্রার্থী মনোনয়ন প্রদান করিবে।

(৩) রাজনৈতিক দলগুলো এই হার পর্যায়ক্রমে প্রতি সাধারণ নির্বাচনে ৫ (পাঁচ) শতাংশ হারে বৃদ্ধি করিয়া সংসদে সরাসরি নির্বাচনে নারীদের মনোনয়নের মাধ্যমে নারীদের প্রতিনিধিত্ব ১০০-তে উন্নীত করিবে।

(৪) পঞ্চদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলো হইতে পর্যাপ্ত সংখ্যক নারীদেরকে মনোনয়ন প্রদান করিবেন যাতে ১০০ জন নারী জাতীয় সংসদে সরাসরি নির্বাচিত হবেন।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের সপ্তদশ সংশোধনীর (যা ৮ জুলাই ২০১৮ সালে সংসদে পাস হয়) মাধ্যমে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ২৫ বছর বৃদ্ধি করা হয়। সে হিসেবে বিদ্যমান নারী আসনের মেয়াদ আগামী ২০৪৩ সাল পর্যন্ত বহাল থাকিবে বলিয়া বিধান আছে তবে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৫(৩) ও (৩ক) এর আওতায় সংরক্ষিত নারী আসনের বিধান চতুর্দশ সংসদের পর আর কার্যকর থাকিবে না।

এর আগে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন রাজনীতি দলগুলোর কাছে সরাসরি নারী আসনে জন্য এক/তৃতীয়, পরে এক/চতুর্থাংশ এর প্রস্তাব দেয়।