মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
এ প্রেক্ষাপটে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জ্বালানি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে।
এ লক্ষ্যে সকল সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক স্থাপনা ও দেশের সচেতন নাগরিকদের জ্বালানি সাশ্রয়মূলক বিভিন্ন পদক্ষেপ অবিলম্বে গ্রহণের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফ সাদেক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) এ আহ্বান জানানো হয়।
এতে বলা হয়, প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারে সর্বোচ্চ সাশ্রয় নিশ্চিত করতে রান্না ও অন্যান্য কাজে গ্যাস ব্যবহারে উপযুক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।
গ্যাসচালিত যন্ত্রপাতির অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার পরিহার করতে হবে এবং গ্যাস পাইপলাইন ও বার্নার নিয়মিত পরীক্ষা করে লিকেজজনিত অপচয় রোধ করতে হবে। একইসাথে অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার থেকে বিরত থাকার জন্য সকলকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের ব্যবহার কমাতে ব্যক্তিগত যানবাহনের পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহার এবং সম্ভব হলে শেয়ারিং (কার-পুলিং) ব্যবস্থা গ্রহণকে উৎসাহিত করতে হবে।
মুহাম্মদ আরিফ সাদেক স্বাক্ষরিত এ বিজ্ঞপ্তিতে অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত যথাসম্ভব সীমিত বা পরিহার করে জ্বালানি তেলের ব্যবহার কমানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
এছাড়া সকল সরকারি দফতর ও প্রতিষ্ঠানে অফিস চলাকালীন এবং অফিস-পরবর্তী সময়ে জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
একইসাথে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী পদক্ষেপ গ্রহণ এবং অপ্রয়োজনীয় জ্বালানি ব্যবহার পরিহার করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সকলকে উপর্যুক্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে মন্ত্রণালয়। বাসস



